প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মালয়েশিয়ায় এ বছর ৮ হাজার বাংলাদেশীসহ আটক ৪৯ হাজার

শেখ সেকেন্দার আলী, মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : একদিকে দেশে ফেরার সুযোগ, অন্যদিকে ধরপাকড় অভিযানে গ্রেফতার চলছে। তবে এই অভিযানকে সামান্য বলে অভিহিত করলো দেশটির অভিবাসন বিভাগ। অন্যদিকে, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যরাত থেকে সারা দেশে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন ইমিগ্রেশন প্রধান দাতুক খায়রুল দাজামি দাউদ। তিনি উল্লেখ করেছেন, চলে যাও ভালোর জন্য। যারা হাতছাড়া করবে তাদের আটকে আমরা বদ্ধপরিকর।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৪ ডিসেম্বরের পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসীদের আটকের কথা স্বীকার করেন সেদেশের অভিবাসন বিভাগের প্রধান দাতুক খায়রুল দাজামি দাউদ। তিনি সাংবাদিকদের জানান মালয়েশিয়ার বিদেশি শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ১৬ হাজার ৫ শত ৯৪টি অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয় বিভিন্ন দেশের ১লাখ ৯৪ হাজার ৩ শত ১৬ জনকে। আটককৃতদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ ভ্রমণের প্রয়োজনীয় পাসপোর্ট, ভিসা না থাকার অপরাধে বিভিন্ন দেশের ৪৯ হাজার ১শত ৯৩ জনকে অভিবাসন বিভাগের আইনে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রথমে রয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার ২২ হাজার ৬ শত ৮৯ জন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের ৮ হাজার ৮ শত ৫ জন। এছাড়াও মায়ানমারের ৫ হাজার ৬ শত ১৯, ইন্ডিয়ার ৩ হাজার ৬ শত ৭৫, থাইল্যান্ডের ৩ হাজার ৮ শত ৭৯, ভিয়েতনামের ৩ হাজার ৫ শত ৩৩, পাকিস্তানের ১ হাজার ৭০০ শত,চায়নার ১ হাজার ৪ শত ৭৮, নেপালের ৮ শত ৮৫, নাইজেরিয়ার ৬ শত ৯৬ জন। বাকিরা অন্যান্য দেশের নাগরিক।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিগত দিনে সরকারের দেয়া সুযোগ নিয়ে বৈধতা পায় প্রায় বিভিন্ন দেশের ৯ লাখের বেশি অভিবাসী। কিন্তু বৈধতা প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেও প্রায় চার লক্ষ অভিবাসীরা বৈধতা পায়নি। তাদের গ্রেপ্তারে অভিবাসন বিভাগ অভিযান শুরু করে। গ্রেফতার অভিযান শুধু অবৈধ অভিবাসী নয়, তাদের আশ্রয়দাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুশিয়ারি করেন অভিবাসন বিভাগের প্রধান। তিনি আরো বলেন, অবৈধ অভিবাসীদের আমরা দেশে ফেরার সুযোগ দিয়েছি, কারণ যারা গতবছর বৈধ প্রকল্পের মাধ্যমে বৈধতা না পেয়ে অবৈধভাবে অবস্থান করছে। অবৈধদের নির্বিঘ্নে দেশ ত্যাগের জন্য আমরা সুযোগ দেওয়ার পরও যারা অমান্য করে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা : মৌরী সিদ্দিকা ও সালেহ্ বিপ্লব

সর্বাধিক পঠিত