প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৪৮ প্রতিষ্ঠান ৩ বছরে পাচার করেছে ৩২০০ কোটি টাকা

সমকাল : পণ্য আমদানিতে মিথ্যা ঘোষণা, রপ্তানি আয় দেশে না আনা, শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারসহ নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে এই টাকা পাচার করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের প্রাথমিক অনুসন্ধানে এ তথ্য উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে। পাচার করা টাকা উদ্ধারে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ৮১টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে শুল্ক্ গোয়েন্দা অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলার সংখ্যা ৭৮টি। বাকি তিনটি চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের। সংশ্নিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ ব্যাপারে শুল্ক্ গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ওই সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের ঘটনা প্রমাণ হয়েছে। এখন গভীর তদন্ত চলছে। কিছু মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিগগির চার্জশিট দেয়া হবে এবং অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

জানা যায়, পাচার করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশির ভাগই রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের। ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অর্থ পাচারের এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, পাচার করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ঋণ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত ক্রিসেন্ট গ্রুপ। পণ্য রপ্তানির আড়ালে ক্রিসেন্ট লেদার, রিমেক্স ফুটওয়্যার ও ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ প্রায় এক হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। এ টাকা দেশে আনা হয়নি। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্টন থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়। ক্রিসেন্ট গ্রুপের কর্ণধার এম এ কাদেরকে গ্রেপ্তার করা হলেও বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ক্রিসেন্ট গ্রুপের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। শিগগিরই চার্জশিট দেয়া হবে।

অভিযোগ রয়েছে, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে পণ্য আমদানি করে ৮৭২ কোটি টাকা পাচার করেছে মেসার্স হেনান আনহুই এগ্রো এলসি লি. ও তাদের সহযোগী সাত প্রতিষ্ঠান। একই উপায়ে এক হাজার ১৯৭ কোটি টাকা পাচার করেছে মেসার্স এগ্রো বিডি এবং জেপি লি. ও তাদের সহযোগী আটটি প্রতিষ্ঠান। সূত্র বলেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শিগগিরই চার্জশিট দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে হেনান আনহুই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার দিদারুল আলম টিটু ও তার সহযোগী কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে কোর্টে চালান দেওয়া হয়েছে। এ রকম বহু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত