প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রকল্পের কর্মকর্তদের অহেতুক বিদেশ সফরে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী

সাইদ রিপন: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় অহেতুক বিদেশ সফর নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। একনেকে উপস্থাপিত ‘পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প’ নিয়ে আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী এই বিরক্ত প্রকাশ করেছেন।মঙ্গলবার শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বিরক্তর কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের আওতায় বারবার বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী বিরক্ত প্রকাশ করেছেন।অনেক প্রকল্পে বিদেশ সফর প্রয়োজন হয় না তবুও অহেতুক বিদেশে যাওয়া হচ্ছে।অনেক প্রকল্পে একই কাজে বারবার বিদেশ সফর করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী এমন অহেতুক বিদেশ সফর চান না।
২০০৭ সালে ২৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল।এরপর ১২ অতিবাহিত হলেও এই ভবন নির্মাণ সমাপ্ত করা সম্ভব হয়নি।বর্তমানে প্রকল্পটি তৃতীয় সংশোধনীতে এর ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৭৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। ফলে মূল প্রকল্প থেকে অতিরিক্ত ব্যয় বাড়ছে ৫০ কোটি ৬ লাখ টাকা। এর পুরোটাই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে। পাকিস্তানের সঙ্গে ক‚টনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ও তা শক্তিশালী করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তানে নিজস্ব ভবন মিশনের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।এক যুগ পর প্রকল্পটি সংশোধন করা হচ্ছে।সংশোধিত ব্যয় ও সময় বাড়ানো হয় একনেক সভায়।

বিদেশে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজে সাধারণ তিনবার বিদেশ সফর করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।আলাদা আলাদা টিম করে বিদেশ সফরে যান সংশ্লিষ্টরা।প্রথম টিম প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য বিদেশ সফর করেন।দ্বিতীয় টিম চুক্তিসই ও তৃতীয় টিম বাস্তবায়ন কাজে বিদেশ সফর করেন। একই কাজে তিনবার পৃথক পৃথক টিম বিদেশ সফর না করে সমন্বিত একটি টিম যেন বিদেশ সফর করেন এমন পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত