প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঠিকাদাররা যেন কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করতে না পারে, মন্ত্রণালয়কে সংসদীয় কমিটি

আবুল বাশার নূরু: রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি আব্দুস শহীদের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য চিফ হুইপ নূর -ই-আলম চৌধুরী, আহসান আদেলুর রহমান এবং ওয়াসিকা আয়শা খান অংশ নেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়।

এদিকে, বৈঠকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের চলমান ৮৭টি প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে কয়েকটি প্রকল্পে আর্থিক অগ্রগতির তুলনায় বাস্তব অগ্রগতি কম হওয়ায় সদস্যরা প্রশ্ন তোলেন।

বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ২৯ দশমিক ৮১ শতাংশ আর বাস্তব অগ্রগতি ১৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। প্রকল্পের ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি ৭৯ লাখ ৯৮ হাজার টাকার মধ্যে গত ৩০ জুন পর্যন্ত পুঞ্জীভ‚ত ব্যয় হয়েছে ১১ হাজার ৭০০ কোটি ১৯ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। গত অর্থবছরে (২০১৮-১৯) এই প্রকল্পের ৭৮ দশমিক শ‚ন্য ৫ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ হয়। ওই সময় বাস্তব অগ্রগতি হয় ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে আর্থিক অগ্রগতি ২৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ আর বাস্তব অগ্রগতি ১৭ দশমিক ১৫ শতাংশ।

কার্যপত্র থেকে আরও জানা গেছে, ২০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ ও ১৫০টি কোচ সংগ্রহ প্রকল্পে দুই বছরে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ অর্থ ব্যয় হলেও প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি শূন্য।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে কমিটির সভাপতি আব্দুস শহীদ বলেন, কিছু প্রকল্পে কাজের অগ্রগতির চেয়ে খরচ বেশি হওয়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো কোনো কাজে টেন্ডারের পর একটি অর্থের ছাড় দিতে হয়, সে জন্য এমনটি হয়েছে। আমরা প্রকল্পের ব্যয় ও কাজের অগ্রগতির মধ্যে যাতে সামঞ্জস্য থাকে, সেটা দেখতে বলেছি।

সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, কমিটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সিগন্যালিংসহ রেললাইন সংস্কার ও নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন করবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত