প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়ার কারণে পেছাবে ঢাকার দুই সিটির ভোট, জানালো ইসি

সাইদ রিপন : মধ্য জানুয়ারিতে ঢাকার দুই (উত্তর-দক্ষিণ) সিটির ভোটের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ মূহুর্তে এসে সময় পিছিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহের প্রথমদিকে তফসিল ঘোষণা করা হবে। যদিও আগামী ১১ ডিসেম্বর আহবান করা কমিশন সভায় দুই সিটির তফসিলের বিষয়টি এজেন্ডাভুক্ত করা হয়নি।

দুই সিটির নির্বাচনের বিষয়ে ইসির সিনিয়র সচিব মো:আলমগীর বলেন, জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে দুই সিটির ভোট করার ব্যাপারে কমিশনের সিদ্ধান্ত আছে। তবে এখনো তারিখ চূড়ান্ত করা হয়নি। কমিশন বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। ১১ ডিসেম্বর কমিশন সভার পরবর্তী সভায় দুই সিটির তফসিল চূড়ান্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ভোটের সময় পেছানোর হিসাবে ইসির সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মুলত সেনাবাহিনীর শীতকালীন মহড়ার জন্য ভোটের সময় কিছুটা পেছানো হয়। এক্ষেত্রে প্রতি কেন্দ্রে ১জন করে ইভিএম পরিচালনা টিমের সদস্য কাজ করলেও প্রয়োজন ২ হাজার ৬শ লোকবল। নির্বাচন কমিশনের এই লোকবল নেই। মহড়ার সময় আবার সশস্ত্র বাহিনীও এই লোকবল মহড়া চলাকালীন দেবে না। এ অবস্থায় জানুয়ারির শেষ সময় ছাড়া ভাবার উপায় নেই কমিশনের। অন্যথায় মার্চের দিকে যেতে হবে। স¤প্রতি দুই সিটির স¤প্রসারিত ১৮টি করে মোট ৩৬টি ওয়ার্ডের সংরক্ষিতসহ ৪৮ জন কাউন্সিলর জানুয়ারিতে নির্বাচন না করতে কমিশনে আবেদন করেছিলো। এটি নিয়ে ভাবা হয়েছিলো নির্বাচন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এ বিষয়ে সিনিয়র সচিব বলেন, নির্বাচন নিয়ে আইনী কোন ধরণের জটিলতা নেই। তাদের আবেদন কমিশনে উপস্থাপন করেছিলাম। কমিশন জানিয়েছে, পরিষদ ভেঙ্গে গেলে নির্বাচিতদের মেয়াদও শেষ হয়ে যাবে। পরিষদের মেয়াদ শেষের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার আইনী বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ইতিমধ্যে ঢাকার দুই সিটির ভোটের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে। গত ১৪ নভেম্বর নির্বাচন উপযোগি হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। আর ১৮ নভেম্বর নির্বাচন ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে। স্থানীয় সরকার থেকে চিঠি পাওয়ার ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি শুরু করে কমিশন। প্রথমত কমিশন চিন্তা ছিলো ডিসেম্বরের শুরুতে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করে ঢাকার দুই সিটির তফসিল ঘোষণার। মধ্য জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন শেষ করার। কিন্তু নানান দিক বিবেচনা করে এখন ২৩, ২৬ ও ৩০ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ধরে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছে। এক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৪৫ দিন হাতে রেখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন। বিদ্যমান ভোটার তালিকা দিয়েই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ভোট করা হবে। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত