প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিষণ্ণতার শহর ও মন্দাক্রান্তে জীবন

কাকন রেজা : ‘প্রথম আলো’ জানালো, ঢাকা শহরের একাত্তর শতাংশ মানুষ বিষণ্ণ। প্রিয় একজন আখ্যা দিলেন ‘বিষণ্ণতার শহর’ হিসেবে। সংখ্যাতত্ত্ব কি বিশেষ কিছু নির্দেশ করে। প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ সংখ্যাতত্ত্বের বিষয়টি খুব আনতেন লেখায়। একাত্তরের বাংলাদেশে একাত্তর শতাংশ মানুষের বিষণ্ণতা কী কোনো অর্থ বহন করে? কী জানি। তবে চারদিকে যা শুনছি, ভালো শুনছি না। ‘ডয়চে ভেলে’ তাদের এক খবরে জানালো বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মন্দার সম্ভাবনার কথা। পেঁয়াজ, চালসহ নিত্যদিনের পণ্যাদির যে হাল-হকিকত তাতে যারা অর্থনীতির মন্দার টার্মটি না বোঝেন তারাও শংকিত হন।

আর যারা বোঝেন তারাও ‘স্পিকটি নট’। কেন? সোজা উত্তর, কিছু করার নেই বলে। কৃষি মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পেঁয়াজ বিষয়ক দেয়া তথ্যে চাহিদার প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে দেশে। কিন্তু তারপরও ক্রাইসিস। একজন বললেন, ‘পেঁয়াজ যদি নাই থাকে তবে আড়াইশ টাকা বের করার সঙ্গে সঙ্গে পেঁয়াজ বের হচ্ছে কোথা থেকে’। তিনি কিন্তু অর্থনীতি বোঝেন না, মন্দা বোঝেন না, বোঝেন না উন্নয়নও। তবে প্রশ্ন করাটা বোঝেন। যার উত্তর দিতে গিয়ে বলতে হয়, ‘নাথিং টু ডু’ ‘নাথিং টু সে’। ‘করার আর বলার নেই’, এমন বিষয়ের জবাব দিয়েছে ‘রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডারের হাল বছরের ‘প্রেস ফ্রিডমে’র সূচক। একশ আশিটি দেশের মধ্যে আমাদের স্থান একশ পঞ্চাশে। সমালোচিত এবং ‘না বলা’র প্রচারিত উদাহরণ উগান্ডার অবস্থা একশ পঁচিশে। এই সূচকের জবাবেও আর কথা না বাড়িয়ে বলতে হচ্ছে, ‘নাথিং টু সে’। ‘আমার বলার কিছু ছিলো না, চেয়ে চেয়ে দেখলাম’, বিষণ্ণতার এই শহরে চেয়ে দেখা ছাড়া করার আর কী আছে? লেখক : সাংবাদিক ও কলাম লেখক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত