প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অযৌক্তিক প্রকল্প গ্রহণের মাসুল দিচ্ছেন গ্রাহক

আমাদের সময় : বিদ্যুৎ খাতে কোনো প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে বাস্তবতার নিরিখে সে প্রকল্প গ্রহণের যৌক্তিকতা নির্ধারণে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করার দাবি তোলা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দর নির্ধারণবিষয়ক গণশুনানির তৃতীয় দিন ছিল গতকাল সোমবার। এদিন রাজধানীর টিসিবি মিলনায়তনের এ গণশুনানিতে ভোক্তাদের পক্ষ থেকে এ দাবি তুলে ধরা হয়। এ সময় আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রেই বিদ্যুৎ খাতে অযৌক্তিক প্রকল্প গ্রহণ করায় ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং এর মাশুল দিতে হয় ভোক্তাদের।

গতকাল ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) লিমিটেড এবং ঢাকা ইলেকট্র্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিমিটেডের গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ওপর শুনানি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। শুনানিতে বিতরণ ব্যয় ইউনিটপ্রতি এক টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করার ডেসকোর প্রস্তাবের বিপরীতে বিইআরসি গঠিত মূল্যায়ন কমিটি ৮১ পয়সা বৃদ্ধির এবং ডিপিডিসি প্রস্তাবিত বিতরণ ব্যয় এক টাকা ২৪ পয়সা বৃদ্ধির পরিবর্তে ৮৭ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। এর সঙ্গে বিইআরসি পাইকারি বিদ্যুতের দাম যতটা বৃদ্ধি করবে তা ‘পাস থ্রু’ খাতে ধরে বিদ্যুতের খুচরা দাম বৃদ্ধি করবে কমিশন।

শুনানিতে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ডিপিডিসি গঠনের সময় এক হাজার ১৪৮ কোটি টাকার সম্পদ দেখানো হয়েছে। এখন সব মিলিয়ে ডিপিডিসির সম্পদ ১৪ হাজার কোটি টাকা। নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করার ফলে ডিপিডিসির সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। কিন্তু এসব প্রকল্প গ্রহণ কতটা যৌক্তিক, তা নির্ধারণ করাও জরুরি। এ জন্য কমিশনকে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করতে হবে। এ কমিটি বিবেচনা করবে, প্রকল্প গ্রহণ যৌক্তিক কি না। তিনি বলেন, ডিপিডিসিকে আমরা কেসস্টাডি হিসেবে গ্রহণ করতে পারি। অনেক ক্ষেত্রেই প্রকল্প গ্রহণে এক ধরনের অদৃশ্য চাপ থাকে। এখানে ডিপিডিসিরও কিছু করার থাকে না। ফলে এসব প্রকল্প গ্রহণ আদৌ যৌক্তিক কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি।

শুনানিতে ডেসকো ও ডিপিডিসি দুই কোম্পানিই জানিয়েছে, পাইকারি বিদ্যুতের দাম না বাড়লে তাদেরও দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। দুই কোম্পানিই স্বীকার করেছে, বিতরণ পর্যায়ে এখন তাদের মুনাফা হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত