প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২২ বছর দুই পক্ষেরই উচিত চুক্তির শর্ত মেনে চলা

 

আনিস আলমগীর : পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির ২২ বছর পূর্ণ হলো ২ ডিসেম্বর। মনে হচ্ছে এই সেদিন আমরা দল বেঁধে ঢাকা থেকে সাংবাদিকরা খাগড়াছড়ি গেলাম শান্তিবাহিনীর আনুষ্ঠানিক অস্ত্রসমর্পণের দৃশ্য দেখতে। হতাশ হলাম আজ মিডিয়ার রিপোর্ট দেখে। বলা হচ্ছে, বহু কাক্সিক্ষত এই চুক্তির সব ধারা বাস্তবায়ন নিয়ে বিপক্ষের অসন্তোষ আছে, আছে বিতর্ক। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষ থেকে চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়ার জন্য সরকারকেই দায়ী করা হচ্ছে। অন্যদিকে সরকার বলছে, শান্তির জন্য অস্ত্র সমর্পণের শর্ত তারা বিগত ২২ বছরেও পূরণ করেনি।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, জনসংহতি সমিতির সভাপতি সন্তু লারমা নিজে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বিগত ২১ বছর ধরে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করছেন। তার জন্য বরাদ্দ সরকারি গাড়িতে জাতীয় পতাকা ওড়ে। অথচ তিনি রাষ্ট্রীয় কোনো দিবস-আয়োজনে অংশ নেন না। এলাকায় ভোটার হননি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রও নেননি। পাহাড়িদের চারটি আঞ্চলিক সংগঠনের স্বার্থের দ্বন্দ্ব ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত তাদের ৭২ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪০ জন ইউপিডিএফের সদস্য, জেএসএস-এর সদস্য ২৭ জন। তাদের হাতে নিহত হয়েছেন ৫ জন বাঙালি। এক বাঙালিসহ অপহরণ হন ৬৩ জন। গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে ৩৯টি। আমি বলি, চুক্তি যখন হয়েছে দুই পক্ষেরই উচিত এর শর্তগুলো মেনে চলা। প্রয়োজনে আবার বসে চুক্তি সংশোধন করা। আমাদের সবার প্রত্যাশা পাহাড়ে শান্তি আসুক। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত