প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জঙ্গির মাথায় টুপি : পুলিশ আর কারা কর্তৃপক্ষ- কে ভুল বলছে, সঠিক কে?

 

সওগাত আলী সাগর : ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলামের বক্তব্য মেনে নিলে ব্যাপারটার একধরনের সুরাহা হয়ে যেতো। প্রথম দিনেই তো তিনি বলে দিয়েছিলেন, ‘আমার জানামতে আইএসের কোনো টুপি নেই। আইএসর সৃষ্টি থেকে এ যাবৎ পর্যন্ত তাদের কোনো টুপি দেখা যায়নি। তারপরও তাদের কোনো টুপি আছে কিনা, তা বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বিভাগ তথা রাষ্ট্রের গোয়েন্দারা ‘আইএস-এর কোনো টুপি আছে কিনা’ তা নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত হয়ে ওঠতে পারতেন। তা না করে তারা টুপির উৎস সন্ধানে মরিয়া হয়ে ওঠলেন। পুলিশ তো শুরু থেকেই বলে দিয়েছে- এই টুপি কারাগার থেকে এসেছে।

‘আদব কায়দা না জানা’ নাগরিকদের অনেকেই অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন করেছেন- পুলিশ টুপিটি দেখার পর খুলে নিলো না কেন? এই প্রশ্নে যুক্তি আছে অবশ্যই, তবে পুলিশ তার কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। কারাগার কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি করে নিশ্চিত করেছে- টুপিটি কারাগার থেকে যায়নি। তার মানে কি? টুপিটি জঙ্গির হাতে গেছে রাস্তায়, কারাগার থেকে আদালতে যাবার পথে, কিংবা আদালত চত্বরে! কারাগার কর্তৃপক্ষের কথায় বিশ্বাস রাখলে আমাদের পুলিশকে অবিশ্বাস করতে হয়। আমরা তা হলে কাকে অবিশ্বাস করবো? পুলিশ আর কারা কর্তৃপক্ষ- কে মিথ্যা বলছে? রাষ্ট্রের হেফাজতে থাকা এক জঙ্গি মাথায় একটা টুপি পড়েছে- সেই টুপিটিা কোত্থেকে কীভাবে এসেছে- সেটা যদি আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থা, গোয়েন্দারা বের করতে না পারে, এক সংস্থা আরেক সংস্থার ওপর দায় চাপাতে ব্যস্ত থাকে- আমাদের আতঙ্কিত হবার যথেষ্ট কারণ থাকে কিন্তু। যে গোয়েন্দারা-‘টেলিফোনে কে কার সঙ্গে কী কথা বলছে’- সেটা বের করে ফেলতে পারে, সেই গোয়েন্দারা একটা টুপি কোত্থেকে এলো- তা বের করতে পারছে না- এটা বিশ্বাস করি কীভাবে? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত