প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারের টনক নড়েছে যশোরে সোমবার থেকে টিসিবির পেয়াজ বিক্রি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রায় দীর্ঘ তিনমাস ধরে দেশে পেয়াজ সংকট চলছে। তিনমাস আগে প্রতিবেশি দেশ ভারত পেয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার ফলে বাংলাদেশে পেয়াজ সংকট দেখা দেয়। দেশি পেয়াজের মূল্য উর্দ্ধমুখি হয়। ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যায় পেয়াজের মূল্য। আর পেয়াজ সংকটকে পুজি করে অসাধু ব্যবসায়িরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় ৪০ টাকা কেজি দরের পেয়াজ ২ শ থেকে আড়াইশ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে।

এ সংকট মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখি উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। বেশি দামে পেয়াজ বিক্রিকারি অধিক মুনালোভী ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। পেয়াজের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে পেয়াজ আমদানি করা হয়। যেমন মিসর, চীন, তুরষ্ক, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশ থেকে সরকার পেয়াজ আমদানি করে। কিন্তু তারপরও পেয়াজের মূল্য স্বাভাবিক হয়নি। দেশি পেয়াজ এখনো ২ শ থেকে ২ শ ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর আমদানি করা মিশরের পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১ শ ৪০ থেকে দেড়শ টাকা কেজি দরে, চায়না পেয়াজ ১ শ ১০ টাকা থেকে ১ শ ২০ টাকা কেজি দরে। জ্বালানি মন্ত্রী টিপু মুন্সি বলেছিলেন বাজারে নতুন পেয়াজ উঠলে পেয়াজের দাম কমে যাবে।

সম্প্রতি বাজারে দেশি নতুন পেয়াজ উঠেছে। কিন্তু তার দামও কম নয়। নতুন পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১ শ ৪০ থেকে দেড় শ টাকা কেজি দরে। পেয়াজের দাম কোন ভাবেই নিয়ন্ত্রন করতে না পারায় অবশেষে সরকারের টনক নড়েছে। দীর্ঘ তিনমাস পর সরকারি বানিজ্যিক সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি) দেশের অন্যান্য স্থানের মতো সোমবার থেকে যশোরে খোলা বাজারে পেয়াজ বিক্রি শুরু করছে। খোলা বাজারে পেয়াজ বিক্রি উদ্ধোধন ও তদারকি করেন জেলা বাজার কর্মকর্তা (কৃষি বিপণন অধিদপ্তর) সুজাত হোসেন খান। তিনি বলেন, সোমবার সকাল থেকে টিসিবির খোলা বাজারে পেয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রতিদিন ১ হাজার কেজি পেয়াজ বিক্রি করা হবে। প্রতিকেজি পেয়াজের মূল্য ৪৫ টাকা। ভোক্তা প্রতি ১ কেজি করে পেয়াজ ক্রয় করতে পারবেন। সোমবার শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্বরে মিনি ট্রাকে করে টিসিবির পেয়াজ বিক্রির সময় দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। সম্পাদনা : তন্নীমা আক্তার

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত