প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাউথ এশিয়ান গেমস ২০১৯
১ সোনা ও ২ রূপাসহ ১৬টি পদক জয়ের জমজমাট একদিন বাংলাদেশের

এল আর বাদল : নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে গত রোববার থেকে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ এসএ গেমসে দারুণ পারফরম করছে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা। গতকাল সোমবার একের পর এক সুখবর আসতে শুরু করে। রাত পোহাতেই এস এ গেমসের কারাতে ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জেতেন বাংলাদেশের মেয়ে হোমায়রা আক্তার অন্তরা। তার অর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের গেমসে পদকের খাতা খুলে লাল সবুজের দেশটি। এর পরই দেশের জন্য মহা আনন্দের সংবাদ আসলো। দুপুরে তায়কোয়ান্দো ইভেন্টে আসরের প্রথম স্বর্ণ উপহার দিলেন বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় দিপু চাকমা।

গেমসের প্রথম দিনেই ১টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য আর ১৩টি ব্রোঞ্জসহ ১৬টি পদক জয় করেছে বাংলাদেশ। দুটি রৌপ্যসহ ৮টি পদক এসেছে কারাতে থেকে এবং একটি স্বর্ণ আর ৭টি ব্রোঞ্জ পদক এসেছে তায়কোয়ান্দো থেকে। কারাতে ইভেন্টে রৌপ্য জয় করেছেন পুরুষ বিভাগে ৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে মোস্তফা কামাল এবং নারী বিভাগে ৪৫ কেজিতে মুনজেরা বন্যা।

তায়কোন্দোতে স্বর্ণ জেতার পথে দিপু চাকমা স্কোর করেন ১৬.২৪। তিনি পরাজিত করেন শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের প্রতিযোগীদের। তায়কোয়ান্দো থেকে এদিন আরও ৫টি ব্রোঞ্জ জিতেছে বাংলাদেশ।

স্বর্ণ পদক জয়ের পর গুরুকেই প্রথম স্মরণ করলেন দিপু চাকমা। সাফল্য উৎসর্গ করলেন গুরু মাহমুদুল ইসলাম রানাকে। রাঙ্গামাটির এই তরুণ তায়কোয়ান্দোতে পুমসে ৩০+ পুরুষ ব্যক্তিগত ইভেন্টে স্বর্ণ জয় করেন ভারতের প্রতিযোগীকে হারিয়ে। এই ইভেন্টে লড়েছে মোট ছয়টি দেশের প্রতিযোগী। সেনাবাহিনীর এই খেলোয়াড় স্বর্ণ জয়ের পর বলেন, আমি সত্যিই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। স্বর্ণ জিততে মনস্থির করেই আমি নেমেছিলাম।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আসরে ৫টি সোনা ও ১টি রুপা জেতা দিপু চাকমা ২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমস থেকেই জাতীয় পর্যায়ে সেরা হন। তিনি বলেন, যদি তায়কোয়ান্দোতে কেউ প্রথম স্বর্ণ নিয়ে থাকে সেটা মিজান স্যার (কোচ মিজানুর রহমান)। ওনার প্রেরণায় আমার এতো দূর আসা। ফেডারেশন কর্মকর্তা যারা আছেন, তারা আমার পাশে সার্বক্ষণিক ছিলেন। আমি সব সময় চেষ্টা করি দেশকে ভালো কিছু দেওয়ার।

দিপু বলেন, রাঙামাটিতে আমার খেলা শুরু। সেখানে তায়কোয়ান্দো ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রানা স্যার দশ দিনের একটা কোর্স নিয়ে গিয়েছিলেন। ওখানেই তায়কোয়ান্দোর সঙ্গে আমার পরিচয়। এরপর সেনাবাহিনীতে আসি চাকরি নিয়ে। তিনি বলেন, আমার এই সাফল্য শ্রদ্ধেয় রানা স্যারকে উৎসর্গ করলাম। আমি ইনজুরিতে থাকার পরও তিনি আমাকে খেলায় সুযোগ দিয়েছিলেন। আমার ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন। আমার ক্যারিয়ারের শুরুও তার হাত ধরে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত