প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিএনপির বিক্ষোভ
দুর্নীতি ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী হওয়ায় টিউলিপ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে বিএনপি,বললেন রিজভী

শাহানুজ্জামান টিটু: তিন কারণে বিএনপি সরকার এই চুক্তি বাতিল করেছিল।এক. আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের তুলনায় দ্বিগুণ মূল্যে কম্পিউটার কেনার এই চুক্তি করা হয়েছিল।দুই. চুক্তির শর্তাবলীর সবই ছিলো কোম্পানির পক্ষে এবং বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে।তিন. চুক্তির শর্তানুযায়ী নেদারল্যান্ডস অনুদানের প্রায় ৫০ কোটি টাকা বাংলাদেশকে দেয়নি।

সোমবার নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন নিত্যনতুন আজগুবি গল্প ফাঁদেন উল্লেখ করে তিনি জানতে চান, প্রধানমন্ত্রীর এই গাল গল্পের সূত্র কী? তাঁকে কে বলেছে বেগম খালেদা জিয়া নামের মিলের কারণে চুক্তি বাতিল করেছিলেন? তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত এক দশকে দেশ থেকে নয় লক্ষ কোটি টাকা পাচার, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আটশো দশ কোটি টাকা লোপাট হয়ে গেছে।বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা।এভাবে রাষ্ট্রীয় মদদে নানা উপায়ে চলছে রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা লুন্ঠন করা হয়েছে।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার প্রথম সরকারের ইআরডি সচিব ও বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান সেই সরকারের আমলের শেষের দিকে অত্যন্ত গোপনে মারাত্মক গলদপূর্ণ ওই চুক্তি করেছিলেন। ওই চুক্তি অনুযায়ী টিউলিপ কোম্পানির কাছ থেকে ১০,৩৮৮টি কম্পিউটার ও কিছু আনুষঙ্গিক সামগ্রী কেনার কথা ছিল।

তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ৭ জুন সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির প্রধান হিসাবে বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান সুষ্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন: তারা আমাদেরকে টাকা দেয়নি, কম্পিউটারও দেয়নি। তবে আমরা কেন তাদের দেশের আদালতের রায় অনুযায়ী তাদেরকে ক্ষতিপূরণের টাকা দেবো ? শেখ হাসিনা আবার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে ১৫ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত হয় আউট অব কোর্ট সেটেলমেন্টের জন্য এটর্নি জেনারেলকে অনুরোধ জানানোর। ২০১০ সালের শেষের দিকে এটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বে শিক্ষা, আইন ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১২ সদস্যের একটি দল নেদারল্যান্ড গিয়ে টিউলিপ প্রতিনিধিদের সঙ্গে গোপন বোঝাপড়া করেন।

এরআগে সকালে বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন রিজভী। মিছিলটি কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে ল্যাব এইড হাসপাতালের নিকট গিয়ে শেষ হয়। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা ক্রমান্বয়ে চরম অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। দেশনেত্রীকে চিকিৎসা দেয়ার নামে নানা টালবাহানা ও জনগণকে ধোকা দেয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত