প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাইকারী বাজারে পেঁয়াজের দাম ওঠা নামা করায় খুচরা বাজারে নৈরাজ্য

লাইজুল ইসলাম : পেঁয়াজ আমদানি করার পরও কমেনি দেশি পেঁয়াজের চাহিদা। উল্টো পেঁয়াজের দাম ওঠা-নামায় খুচরা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। এতে আরো বেশি বিপাকে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ।

বিমানে এবং জাহাজে করে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে মিয়ানমার ও মিসর থেকে। সংকটেরও দুই মাস পেরিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নতুন পেঁয়াজও বাজারে আসার সংবাদ ও প্রমাণ দুটিই পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু, বাস্তবতা হলো এখনও মোটেই কমেনি পেঁয়াজের দাম।

ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে সরকারি বাণিজ্যিক সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ টিসিবির ট্রাকের সামনে সাধারণ মানুষের ভিড়। কিন্তু এই বিক্রির ঘটনা নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। ক্রেতারা পেঁয়াজের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, যতটুকু পেঁয়াজ বিক্রির কথা তা বিক্রি করা হচ্ছে না।

রাজধানীর পাইকারী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখনও আমদানি করা মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১৪০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২১৬ টাকা কেজি দরে। তবে এই পেঁয়াজই খুচরা বাজারে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩৫ থেকে ২৪৫ টাকায়।

গেলো কয়েকসপ্তাহে পাইকারী বাজারে দেশি পেঁয়াজের দাম কমলেও আবার বেড়ে যায়। এই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছেন খুচরা ব্যবাসয়ীরা বলে অভিযোগ করেন ক্রেতারা। তারা বলেন, পাইকারী বাজারে দাম দুইশ টাকা হলেও এলাকায় পেঁয়াজ বিক্রি করছেন প্রায় আড়াইশো টাকায়। খুচরা বাজারও মনিটরিংয়ের আওতায় আনার দাবি জানান ক্রেতারা।

এদিকে, রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে বিক্রি করা টিসিবির ট্রাকের সামনে শত শত মানুষ ভীড় করেন। শুরুতে জনপ্রতি ২ কেজি করে দেওয়া হলেও এখন একজন ক্রেতা লাইনে দাঁড়িয়ে পাচ্ছেন মাত্র এক কেজি পেঁয়াজ।
আর এই পেঁয়াজ টুকু কেনার জন্য একজন ক্রেতাকে ঘণ্টারও বেশি সময় রোদের মধ্যে ঠায় রাস্তার পাশে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এখানেই শেষ নয়। বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে লাইনের বাইরে থেকে টিসিবির ট্রাক থেকে পেঁয়াজ কেনার চেষ্টাও করেন অনেকে। ফলে প্রতিদিনই এমন ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে টিসিবির ট্রাকের আশপাশের পরিবেশ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত