প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীতে চলছে হেমন্তের নবান্ন উৎসব

শাহীন খন্দকার : আজ শুক্রবার দ্বিতীয় দিনে সকাল ৯টা থেকে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা হবে। বিকেলে একক ও দলীয় সংগীত ও নাচ, একক আবৃত্তি আর সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর গীতি-আলেখ্য ইতিহাস কথাও পরিবেশিত হবে। শনিবার উৎসবের শেষ দিনেও সকাল থেকেই থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিকেলে থাকবে মাগুরার সমীরণ বাউল ও তার দলের পরিবেশনা। নবান্ন উৎসবে সাংস্কৃতিক পর্ব পরিচালনা করছে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী।

রবীন্দ্রসরোবরে নবান্ন উৎসবে পিঠার স্টলগুলোতে ছিলো নানান স্বাদের পিঠা।হেমন্তের শীত শীত সকালে ঢেঁকিতে ভানা নতুন চালের গুঁড়া দিয়ে মাটির চুলায় হরেক রকমের পিঠা তৈরি করেন গ্রামের গৃহস্থ ঘরের নারীরা। সেগুলো খেয়েই পরিবারের সদস্যদের দিন শুরু হয় । আধুনিক শহর জীবনে এযে অপরিচিত। তবে ইচ্ছে থাকলেই আধুনিক শহরেও নেয়া যায় হরেক রকমের পিঠার স্বাদ। তারই ধারাবাহিকতায় ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে শুরু হওয়া নবান্ন উৎসবে পিঠার স্বাদ নেয়ার পাশাপাশি উপভোগ করেছে নগরবাসি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।

বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হয়েছে তিন দিনের এই ‘প্রাণ চিনিগুঁড়া চাল নবান্ন উৎসব’। চলবে শনিবার পর্যন্ত। উৎসব উপলক্ষে রবীন্দ্রসরোবর সাজানো হয়েছে খড়ের তৈরি ছোট ছোট কুটির দিয়ে। সেখানেই ১২টি পিঠাঘর। সেখানে বিক্রি হচ্ছে লবঙ্গ লতিকা, পাকন, নকশি পাকন, ডিমচিতই, দুধচিতই, ঝালপোয়া, মালপোয়া, ভাজা পুলি, তালের পিঠা, গুড়ের ভাপা, ম্যারা পিঠা, খেজুরের গুড়ের পিঠা, বিবিখানা, ধানাপোরা, মালাই রোল পুরিসহ আরও কয়েক পদের পিঠা। নবান্ন উৎসবে পিঠার স্টলগুলোতে ছিল নানান স্বাদের পিঠা। নবান্ন উৎসবে পিঠার স্টলগুলোতে ছিলো নানান স্বাদের পিঠা।

উৎসব প্রাঙ্গণের দক্ষিণ কোণে রাখা আছে ঢেঁকি ও ধান। চাইলেই ঢেঁকিতে পা দিয়ে ধান ভানা যাবে। উৎসবে গেলে মো. সুমনের রঙিন পোশাক ও লম্বা টুপি দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। তিনি উৎসবে বায়োস্কোপ দেখাচ্ছেন। এছাড়া, উৎসবে বানরের খেলা দেখিয়ে শিশুদের আনন্দ দিচ্ছেন আফজাল শরীফ। তার নির্দেশে নানান রকমের অঙ্গভঙ্গি করে মধু নামের বানরটি। পাশেই সাপের খেলা দেখাচ্ছেন পারুল। উৎসব প্রাঙ্গণের উত্তর কোণে আছে নাগরদোলা। সেখানে চড়ে আনন্দে মাতছে শিশু ও কিশোরেরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত