প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘নিরাপদ সড়ক’ চাইলেও নিরাপদ সড়কের বেসিক সংজ্ঞা জানেন না ইলিয়াস কাঞ্চন

 

সুলতান মির্জা : পরিবহন শ্রমিকদের এবারের আন্দোলনের দায় চাপাতে এখনো যারা শাজাহান খান কিংবা এনায়েত বা অন্য কারও পেছনে পড়ে আছেন তাদের অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গেই বলছিÑ আপনাদের মাথায় কিচ্ছুই নেই, হুদাই আজাইড়া চিন্তা করে টাইম পাস করছেন। এই আন্দোলনের মূল কাহিনি অন্য জায়গায়, যানবাহনের সংখ্যা গুনেন, চালকের লাইসেন্সের সংখ্যাও দেয়া আছে কতোজনের সেটার হিসেব নেন। আর কিছুর দরকার হবে না। মূলত আন্দোলনকারী অধিকাংশ চালকের অরজিনাল লাইসেন্স নেই, আমার নিজের দুই গাড়ির চালক এতোদিন আমার গাড়ি চালিয়েছে ভুয়া লাইসেন্স দিয়ে, এই আইন ঘোষণা হওয়ার পর সত্যিটা উগলে দিয়েছে যে লাইসেন্স দুই নম্বর। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাফিক পুলিশ যদি পঞ্চাশ শতাংশ সততা দেখায় অর্থাৎ বাধ্যতামূলক বডি ক্যাম ব্যবহারের কল্যাণে তাহলে দুই নম্বর লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানোর সমস্যা হবে দুইটা।

এক. আয়ের চেয়ে জরিমানার অ্যামাউন্ড বেশি। দুই. দুর্ঘটনা ঘটালে নিশ্চিত মৃত্যুদ-। প্রশ্ন হলো এমন পরিস্থিতিতে তারা গাড়ি চালাবে কীভাবে? আর এসব ক্রিমিনাল দিয়ে গাড়ি চালানোর দরকার কী? এজন্য আইনের বিরুদ্ধে শ্রমিক আন্দোলনের শুরু। অনেকেই দেখলাম ইলিয়াস কাঞ্চনের গলায় জুতার মালা ব্যানার দেখে এর প্রতিবাদ জানিয়ে কাঞ্চনকে হিরো বানিয়েও স্ট্যাটাস দিয়েছে। একদম হাস্যকর। কারণ ইলিয়াস কাঞ্চন নিরাপদ সড়ক চাইলেও নিরাপদ সড়কের বেসিক সংজ্ঞা জানেন না। কাজেই নিজের বউ হারানো কাঞ্চনের নিরাপদ সড়ক এটা আন্দোলন নয়, এটাকে আন্দোলন বানিয়েছে মিডিয়া। শ্রমিকদের স্থায়ীভাবে রাস্তায় ফেরানোর জন্য কার্যকর ব্যবস্থা খুব দ্রুত নিতে হবে এবং সেটা কোনোভাবেই আইনের সংশোধন বা মিনিমাম আপোসের মাধ্যমে নয়। বরং চালক-শ্রমিকদের নির্দিষ্ট কিছু দাবি আছে, আইনের সঠিক বাস্তবায়ন হলেই সেসব বাস্তবায়ন হবে। এক্ষেত্রে চালকের লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়ার বিআরটিএর সীমাহীন অনিয়ম দুর্নীতিগুলো বন্ধ করে যেন তারা বৈধ লাইসেন্স পায় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যস… আর কিছুর দরকার হবে না। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত