প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঐতিহাসিক টেস্টে মাত্র ৩০ ওভার খেলে ১০৬ রানেই গুটিয়ে গেলো বাংলাদেশ

শিউলী আক্তার :  ঐতিহাসিক তকমা পাওয়া উপমহাদেশের প্রথম গোলাপি বলের দিবা-রাত্রির টেস্ট কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। মাঠে নেমে নাকানি চুবানি খাচ্ছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। ভারতীয় বোলারদের গতিতে কোনো রকম টিকতেই পারছে না বাংলাদেশ।  শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩০ ওভার ব্যাটিং করে ১০৬ রানেই শেষ হয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস।

কলকাতার ইডেন গার্ডেনস স্টেডিয়ামে অল আউট হয়েছে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ শামি, ইশান্ত শর্মা ও উমেশ যাদবের বোলিং তোপে টিকতেই পারেনি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। সর্বোচ্চ পাচটি উইকেট নেন ইশান্ত শর্মা।

টেস্ট সিরিজে টস ভাগ্যটা যে বাংলাদেশের পক্ষেই কথা বলছে। তবে টস বাংলাদেশের পক্ষে গেলেও সুবিধা যেন ভারতেরই বেশি হচ্ছে। ইন্দোর টেস্টেও আগে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল বাংলাদেশ। একই পথে হেটেছে ঐতিহাসিক টেস্টেও। ব্যাট করতে নেমে ইমরুল কায়েসকে নিয়ে আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও ইমরুল প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন সাজঘরে। ১৫ বলে ৪ রান করা ইমরুল ইশান্ত শর্মার বলে বোল্ড হন। একটি রিভিউ নিয়ে বেঁচে গেলেও দ্বিতীয় চেষ্টায় রক্ষা পাননি।

সুবিধা করতে পারেননি অধিনায়ক মুমিনুলও। তার মত মোহাম্মদ মিঠুন ও মুশফিকুর রহিম শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন। ভারতের পেস আক্রমণের সামনে স্পেশালিষ্ট ব্যাটসম্যানরা মোকাবেলা করেছেন যথাক্রমে ৭, ২ ও ৪ বল!

পেসাররা কতটা দাপট দেখাচ্ছেন, তা এ থেকে সহজেই অনুমান করে নেওয়া যেতে পারে। সেই দাপটকে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছিলেন সাদমান। তবে দুঃসাহসের বলী হয়ে তাকেও ফিরতে হয় সাজঘরে। সাজঘরে ফেরার আগে ৫২ বলে করেছেন ২৯, চারই হাঁকিয়েছেন পাঁচটি।

৩৮ রানে পঞ্চম উইকেট হারানোর পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকেও হারায় দল। ২১ বলে ৬ রান করা রিয়াদ ফিরলে লিটন দাস দেখেশুনে খেলে যান। তবে মোহাম্মদ শামির বল হেলমেটে আঘাত করায় অস্বস্তি বোধ করছিলেন। লাঞ্চের আগে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন ২৪ রান করে। লিটনের বদলি হিসেবে নামেন মিরাজ।

তবে তিনিও বেশি সুবিধা করতে পারেননি। মাত্র ৮ রান করে ইশান্তের বলে দারুণ এক ক্যাচ ধরেন পুজারা। লিটন, সাদমানের পাশাপাশি ব্যাট ভালো কিছু করার ইঙ্গিত দেন নাঈম হাসান। ইশান্তের বলে বোল্ড আউট হন তিনি। আউট হওয়ার আগে ২৮ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১০৬ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। ইশান্তের পাচটির পাশাপাশি তিনটি নেন শামি।

বাংলাদেশ একাদশ : ইমরুল কায়েস, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, লিটন দাস, নাঈম হাসান, আবু জায়েদ রাহী ও ইবাদত হোসেন ও আল-আমিন হোসেন।

ভারত একাদশ : রোহিত শর্মা, মায়াঙ্ক আগারওয়াল, চেতেশ্বর পূজারা, আজিঙ্কা রাহানে, রবীন্দ্র জাদিজা, ঋদ্ধিমান শাহা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদব ও মোহাম্মদ শামী।

সর্বাধিক পঠিত