প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে বিদ্যুৎ বাণিজ্য তাৎপর্যপূর্ণ, বললেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

শাহীন চৌধুরী: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রসমূহের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থার সমন্বিত উন্নয়নে বিদ্যুৎ বাণিজ্য তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখছে।এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিনিময় দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা করবে। সুষম উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতাও বিনিময় করা যেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ‘পাওয়ার সামিট-২০১৯’ এ ম‚লপ্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারত থেকে ১১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছে। নেপাল ও ভ‚টান থেকেও বিদ্যুৎ আমদানি করতে ইচ্ছুক। শীতকালে নেপাল ও ভূটান বাংলাদেশ থেকেও বিদ্যুৎ নিতে পারে কেননা তখন বাংলাদেশের চাহিদা কম থাকে। অন্যদিকে নেপাল ও ভূটানে চাহিদা বেশি থাকে।বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা ভারতের সেভেন সিস্টারস রাজ্যসমূহে বাড়ানো যেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক পাওয়ার মিক্স, গ্রীড কোড, অভিজ্ঞতা বিনিময়, নবায়ণযোগ্য জ্বালানি, সোলার হোম সিষ্টেম ইত্যাদি ক্ষেত্রে একসাথে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।এই সুযোগগুলো কাজে লাগানো গেলে আগামীতে আমরা শক্তিশালী দক্ষিণ এশিয়া দেখতে পাবো।

নেপাল আশা করছে এই ‘পাওয়ার সামিট-২০১৯’ আইনগত, অবকাঠামোগত ও কারিগরি বিষয়ক সার্বিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে। বিনিয়োগে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, নেপালের কারনেলী হাইড্রো পাওয়ার প্রকল্প হতে জিএমআর এর মাধ্যমে ৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি প্রায় চূড়ান্ত। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এসময় তিনি দ্বি-পাক্ষিক, ত্রি-পাক্ষিক ও বহু-পাক্ষিক সমন্বয় সভার উপর গুরুত্ত দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে নেপালের জ্বালানি, পানি ও কৃষি মন্ত্রী বার্শামান পুন ভূটানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী লোকনাথ শর্মা ও নেপালের ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসর এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কুমার পান্ডে বক্তব্য রাখেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত