প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পশ্চিমবাংলায় বাল্যবিয়ে রোধে ‘অরুন্ধতী’ প্রকল্পে ৮শ কোটি বরাদ্দ, কনেকে সোনা কিনতে ৩০ হাজার রুপি দেবে তৃণমূল সরকার

রাশিদ রিয়াজ : ভারতের পশ্চিমবাংলা সরকার বাল্যবিয়েতে রাশ টানতে ‘অরুন্ধতী’ প্রকল্পে বছরে ৮০০ কোটি টাকা ব্যয় করবে। এই প্রকল্পের আওতায় কনের হাতে সোনা কিনতে ৩০ হাজার রুপি দেবে আসাম সরকার। শুধু বাল্যবিয়ে বন্ধ নয়, সেইসঙ্গে নারীর ক্ষমতায়নও সরকারের লক্ষ্য ঠিক করে
নিমন্ত্রণ না-থাকলেও মেয়ের বিয়েতে সরকারি উপহার ঠিক পৌঁছে যাবে বাড়িতে। অবশ্যই তা বিয়ের পাত্রীর জন্য। আসামের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বুধবার গুয়াহাটিতে জানান, রাজ্য মন্ত্রিসভায় এই মর্মে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ‘অরুন্ধতী’ প্রকল্প কার্যকর হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, বিয়ে বৈধ নথিভুক্ত হলে, তবেই এই টাকা মিলবে। বিয়ের রেজিস্টির সময়েই সরকারের তরফে পাত্রীর হাতে এক টোলা (১০ গ্রাম) সোনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। রেজিস্টির উপর জোর দেওয়ার কারণ হিসেবে জানান, এতে বোঝা যাবে পাত্রীর বয়স ১৮ হয়েছে, পাত্রও ২১ বছর। ফলে, বাল্যবিয়েতে রাশ টানা যাবে বলেই মনে করছে আসাম সরকার।

মঙ্গলবারই এই মর্মে একটি প্রকল্প মন্ত্রিসভায় পাশ হয়ে গিয়েছে। বিবাহযোগ্য বয়সের সঙ্গে আরও একটি শর্তও জোড়া হয়েছে। বর-কনেকে ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ হতে হবে। তবে, আদিবাসী ও চা-বাগানে কর্মরত শ্রমিক পরিবারের জন্য এই নিয়ম প্রথমদিকে শিথিল করা হবে। সেক্ষেত্রে বরকনে কতটা পড়েছে, তা টাকা পাওয়ার পথে বাধা হবে না। হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, নারীর ক্ষমতায়ণের এটা একটা অংশ। সোনা দেওয়ার কারণ হিসেবে জানান, সোনার দর আছে। দিনে দিনে তা বাড়বে। এটি পরিবারকে নিরাপত্তাও দেবে। তবে, সকলেই এই অরুন্ধতী প্রকল্পের আওতায় আসছেন না। যাঁদের অভিভাবকদের (মা-বাবার মিলিত রোজগার) বার্ষিক আয় সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা, কেবল মাত্র তাঁরাই এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি আরও জানান, প্রথমবার বিয়ের ক্ষেত্রেই কেবল এই উপহার পাওয়া যাবে।

সরকারি নথি বলছে, আসামে প্রতি বছর গড়ে ৩ লাখ বিয়ে হয়। এর মধ্যে বিয়ে রেজিস্ট্রি হয় বড়জোর ৫০ থেকে ৫৫ হাজার। এইসময়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত