প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভেজাল ওষুধের সাথে জড়িতদের যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত, বলেছেন হাইকোর্ট

মহসীন কবির : বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে  শুনানিকালে এ কথা বলেন। বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট এ কথা বলেন। হাইকোর্ট বলেছেন, ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধের ক্ষেত্রে ফার্মেসীকে ভ্রাম্যমান আদালতের সাজা পর্যাপ্ত নয়। কমিশন নিয়ে প্রেসক্রিপশনে ওষুধ লেখায়, নষ্ট হচ্ছে ডাক্তারি পেশা।

গত দুই মাসে ৩৪ কোটি ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৪৩ টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করা হয়েছে। একই সময়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ভেজাল ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। গত ১ আগস্ট থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ‘মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল, ভেজাল ওষুধ বিক্রয়ে গৃহীত কার্যক্রম’ শীর্ষক ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের একটি প্রতিবেদন মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ে ১৩ হাজার ৫৯৩টি ফার্মেসি পরিদর্শন করে মোবাইল কোর্টে ৫৭২টি মামলা করা হয়। এতে ১ কোটি ৭৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। একইসঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল, ভেজাল ওষুধ সংরক্ষণের দায়ে ২টি ফার্মেসি সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও একইসময়ে ৩৪ কোটি ৭ লাখ ৬৯ হাজার ১৪৩ টাকার টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুজ্জামান কচি। বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।

ডিবিসি টিভি ও বাংলানিউজ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত