প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টাকা আত্মসাতের ঘটনা মিথ্যা বলছে ডিএনসি

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : মাদক বিরোধী অভিযানে নগদ টাকা উদ্ধার নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) রমনা সার্কেলের ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের গুঞ্জন উঠেছে। তবে বিষয়টি মোটেই ঠিক নয় বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো অঞ্চলের উপ পরিচালক মুকুল জ্যোতি চাকমা।

তিনি বলেন, ৫৬ লাখ টাকা উদ্ধার করে এজাহারে ১৮ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে বলে যে গুঞ্জন উঠেছে তা মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে ১৮ লাখ টাকাই উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারের সময় অধিদপ্তরের ৮ এবং পুলিশের ৫ সদস্য ছিলেন। এছাড়া মামলার বাদি ইন্সপেক্টর কামরুল ইসলাম নিজেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। ওই খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশও হয়েছে।

টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে কামরুল ইসলাম বলেন, অধিদপ্তরের নিয়মানুযায়ী উদ্ধারকৃত টাকার ২০ শতাংশ ইন্সপেক্টের নিজেই সরকার থেকে পান। এক্ষেত্রে ৫৬ লাখ টাকা যদি আত্মসাতের চিন্তা করা হয়। তবে তা ১৩ ভাগ করলে একেকজন ৪ লাখ টাকা করে পাওয়ার কথা। আর ১৮ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় তাৎক্ষণিক তিনি সোর্স মানি হিসেবে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা পেয়েছেন।
তিনি বলেন, অনেক সময় টাকা হারানো বা খোয়া যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। ওইসব ক্ষেত্রে দেখা যায় মামলার বাদি বা ইন্সপেক্টর অভিযানকালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকেন না। জুনিয়র অফিসারদের বলা হয়, ‘আমি বাইরে আছি মামলা লিখে ফেলো আমি এসে স্বাক্ষর করে দেবো’। সেক্ষেত্রে জুনিয়র অফিসাররা টাকা সরিয়ে ফেলতে পারেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত