প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দুর্নীতিবাজ অবৈধ সম্পদধারী, নষ্ট লুটেরাদের আইনের আওতায় এনে তাদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা যায় না?

 

পীর হাবিবুর রহমান : বৈধ ব্যবসা বাণিজ্য ছাড়া যারা গত দশ বছর দলের পদ-পদবি, রাজনৈতিক নিয়োগ পেয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ অর্থ-সম্পদ গড়েছেন, ভোগবিলাসে ডুবেছেন তাদের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের পাশেই আত্মসমর্পণের সুযোগ দেয়া যায় না? তাদের অবৈধ অর্থ-সম্পদ তারা রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা দিয়ে সাধারণ ক্ষমা লাভ করবেন এবং আর কখনো দুর্নীতি করবেন না এমন মুচলেকা আদালতে দেবেন? ২. যারা দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ ঠিকাদার প্রকৌশলী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে হরিলুট করেছেন তারাও সব দুর্নীতির টাকা রাষ্ট্রের কোষাগারে জমা দিয়ে সাধারণ ক্ষমার আওতায় নামমাত্র কারাগারে থেকে মুচলেকা দেবেন? ৩. যারা ব্যাংকের টাকা লুট করেছেন এবং তাদের ঘুষের বিনিময়ে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের টাকা ফিরিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে আনার অনুরূপ কৌশল বের করা যায় না?

৪. যারা বিদেশে অর্থ পাচার করেছেন অবৈধভাবে তাদেরও অর্থ ফিরিয়ে দেয়ার বিনিময়ে টোকেন শাস্তি নতুবা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় না? ৫.যারা বৈধ ব্যবসা বাণিজ্য ছাড়া দুর্নীতি তদবির ঘুষ কমিশনে সরকারি কর্মকর্তা থেকে রাজনৈতিক কর্মী ও বিভিন্ন পেশার অবৈধ সম্পদ গড়েছেন তাদেরও তা রাষ্ট্রের কোষাগারে ফিরিয়ে আনা যায় না? ৬. সব দুর্নীতিবাজদের অবৈধ সম্পদ সৃষ্টির নষ্ট লুটেরাদের আইনের আওতায় এনে তাদের সব সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা যায় না?৭. সব দুর্নীতির কালো টাকা চড়া ট্যাক্সে সাদা ও দেশের শেয়ারবাজার ও আবাসন খাতে বিনিয়োগের শর্তে সাধারণ ক্ষমার আওতায় আনা যায় না? এই দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে তৃণমূল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আটকদের দ্রুত বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা প্রয়োজন বলে মনে করি। বিশেষ নজর দেয়া দরকার যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতা ছাড়া এবং রাজনৈতিক ও ক্ষমতাধরদের প্রভাব ছাড়া দুর্নীতি, সরকারি অর্থের লুটপাট, উন্নয়ন বরাদ্দ ডাকাতি সম্ভব যেমন নয়, তেমনি ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তাদের ছাড়া ব্যাংক লুটও সম্ভব নয়। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত