প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তারা গাছের উপরেরটাও খাবে, গাছের তলারটাও কুড়াবে

 

মুনশি জাকির হোসেন : আমাদের সংসদ সদস্যরা প্রতি মাসে দুই লাখ টাকার বেশি পান বেতন, ভাতা হিসেবে। এর উপর আছে শুল্কমুক্ত গাড়ি। সরকারের কোষাগার থেকে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা নেয়ার পরও একজন সংসদ সদস্য কোন বিবেচনায়, কোন অধিকারে, কিসের অভাবে, কোন আইনের ক্ষমতাবলে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন সেটি বোধগম্য নয়। একদিকে সরকারের কোষাগার থেকে সব সুযোগ-সুবিধা নেবেন আবার অন্যদিকে তারা আদালতে মামলা পরিচালনা করেও কাড়ি কাড়ি টাকা কামাবেন। স্কুলের শিক্ষকদের টিউশনি করানো, কোচিং করানোর বিরুদ্ধে সরকারের, জনগণের একটি অবস্থান আছে। সরকার এসব বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপও নিচ্ছে।

কারণ এটি কনফ্লিক্টস অব ইন্টারেস্ট থিওরির যেমন বাইরে তেমনি শিক্ষকদের মূল কাজের প্রতি অবহেলা প্রমাণিত। অথচ, এই একই গ্রাউন্ডে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থাকা অবৈধ হওয়ার কথা। এই একই বক্তব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্যও। একজন সংসদ সদস্য সরকার থেকে ফুলটাইম কাজ/সময়ের জন্য যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করার বিনিময়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ফুলটাইম শ্রম/সময় জনগণের পেছনে ব্যয় করবে। এখন সংসদ সদস্যরা যদি বাড়তি আয়ের জন্য খ্যাপ মারেন তাহলে সেটি কোন বিবেচনায় হালাল হবে? যদি এসব খ্যাপ মারা নিষিদ্ধ না থাকে তাহলে কেন নিষিদ্ধ করা হবে না?উল্লেখ থাকে যে, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস একজন সংসদ সদস্য হয়েও উচ্চ আদালতে আইন পেশাতে শতভাগ নিয়োজিত থাকেন, এমন আরও অনেক আইনজীবী আছেন। যিনি আইন প্রণয়ন করবেন, তিনিই আবার আইনের প্রয়োগের অংশে থাকবেন। এটি সেপারেশন অব পাওয়ার থিওরির বিপক্ষে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত