প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সন্ধিহান বুয়েট শিক্ষার্থীরা

আসিফ কাজল : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গত ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে আসামী করে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।চারদিন পেরিয়ে গেলেও কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বুয়েট প্রশাসন।ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তবে বুয়েট ছাত্র কল্যাণ পরিচালক বলেন, চার্জশিটের কপি বুয়েট প্রশাসনের কাছে না আসায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বুয়েট চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাসমিয়া তিথি জানান, উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম স্যার আমাদেরকে আশ্বাস দিয়েছিলেন অভিযোগপত্রে যাদের নাম আসবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরকে বুয়েট থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করবে কর্তৃপক্ষ।চারদিনেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। এছাড়াও র‌্যাগিং এর ব্যাপারে যেসব শিক্ষার্থী জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও যারা রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এ ব্যাপারেও প্রশাসন কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে ছাত্র কল্যাণ পরিচালক ড. মিজানুর রহমান বলেন, র‌্যাগিং এর বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে কোনো বিধিমালা তৈরি করা হয়নি।এক্ষেত্রে সময় লাগবে বলেও জানান তিনি। এ ব্যাপারে বুয়েট উপাচার্য সাইফুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।তবে উপাচার্য অফিসের একাধিক কর্মকর্তা জানান, সোমবার আদালত আবরার হত্যার চার্জশীটের কপি গ্রহণ করবে।মঙ্গলবার বুয়েট কর্তৃপক্ষ চার্জশিটের কপি হাতে পাবে।এরপরই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত ৬ অক্টোবর শেরে বাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা হয় তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে। পরদিন থেকে ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এরপর প্রায় দেড়মাস অচল রয়েছে বুয়েট ক্যাম্পাস।এসময়ে চলেনি কোনো একাডেমিক কার্যক্রম হয়নি কোনো পরীক্ষা।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানান, প্রশাসনের নিরব ভূমিকার কারণে হাজারো শিক্ষার্থী বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। খুব শিগগিরই বুয়েট ভিসির সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত