প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাইকারি বাজারে কমছে পেঁয়াজের দাম, প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে

লাইজুল ইসলাম: রাজধানীতে পাইকারি বাজারগুলোতে দাম কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের। শনিবারের তুলনায় রোববার পেঁয়াজ ভেদে দাম প্রতি কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। প্রায় একই চিত্র ঢাকার বাইরেও। সরবরাহের খবরেই কমেছে পেঁয়াজের দাম বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

কারওয়ান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকায়। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২১৫ টাকায়। আর মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা দরে। দেশি পেঁয়াজ পাইকারি বাজারের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি করা হয় ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশিতে। আর মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশিতে।

কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ি সাদেক জানান, বার্মার পেঁয়াজ শেষ হয়েছে। মিসরের পেঁয়াজ আসতে সময় লাগবে ১৪ থেকে ১৫ দিন। তিনি বলেন, এলসি করলেও পেঁয়াজ আসতে সময়তো লাগবে। আর এই সময়টা দিতে হবেই ব্যবসায়িদের। কিন্তু এই সময়ে জনগণ কি করবে। সরকারের আরো আগেই এমন পরিস্থিতি নিয়ে ভাবা প্রয়োজন ছিলো।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, পাইকারি আড়তে দাম কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পরেনি। এখনো চরা দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। আবার বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক বাজারের দোকানে পেঁয়াজও নেই। এসময় খুচরা ব্যবসায়িদের জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, কয়েকদিন আগেইে পেঁয়াজগুলো কিনেছি। এখন আগের দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে পেঁয়াজ।

বাজার নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর ৩৫টি পয়েন্টে ট্রাক করে ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। তবে পেয়াজ কিনতে গিয়ে বিপাকে পরতে হয়েছে ক্রেতাদের। রবিবার দুপুরের আগে পেয়াজ বিক্রি শুরু করেনি টিসিবির ট্রাকগুলো। ক্রেতারা বলেন, সকাল আট’টা থেকে পেয়াজের জন্য দাড়িয়ে আছি। কিন্তু ট্রাক দুপুর ১১টার সময়ও আসেনি। কখন আসবে তাও জানি না। সরাদিন যদি পেঁয়াজের জন্য বসে থাকতে হয়, তাহলে অন্যান্য কাজ কিভাবে করবো। পেঁয়াজকিনতে এসে সালাম মিয়া জানান, বেতন পাই ৮০০০ টাকা। পেঁয়াজ যদি কিনি ২৫০ টাকা দিয়ে, তাহলে সংসার চালাবো কেমনে। পেঁয়াজ বাজারের এই কারসাজি বন্ধে বানিজ্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা বন্ধ করা যায়নি।

সর্বাধিক পঠিত