প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, থানায় মামলা, অভিযুক্ত ব্যক্তি গ্রেপ্তার

আরিফুল ইসলাম, সরাইল : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে এক প্রাইভেট শিক্ষিকার স্বামীর বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া ৭ বছর বয়সী ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাতে থানায় মামলা দায়ের করার পর পুলিশ অভিযুক্ত উজ্বল মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করে। উজ্জ্বল মিয়া উপজেলার চুন্টা ইউপির নরসিংহপুর গ্রামের মৃত জহিরুল হকের ছেলে।

পুলিশ, মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত উজ্বল উপজেলা সদরে ঠিকাদারি ব্যবসা করেন। তিনি ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগম সদরের হালুয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসা নিয়ে থাকেন। স্বপ্না বেগম বাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন। সেখানে হালুয়াপাড়া এলাকার একজন রাজমিস্ত্রীর প্রথম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়ে প্রাইভেট পড়তো। একদিন স্বপ্না বেগম বাসায় না থাকায়, তার স্বামী কৌশলে চকলেট কেনার জন্য ১০টাকা শিশুটির হাতে দিয়ে ফুসলিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী শিশুর বাবা জানান, উজ্জ্বল মিয়ার স্ত্রী স্বপ্না বেগমের কাছে আমার শিশু মেয়ে প্রাইভেট পড়তো। লম্পট উজ্বল চকলেট কেনার টাকার লোভ দেখিয়ে আমার শিশু মেয়েকে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করেছে। এতোদিন মেয়েটি কিছু না বললেও শনিবার মেয়েটি অসুস্থ বোধ করলে জিজ্ঞাসাবাদে সে তার মায়ের কাছে সব ঘটনা খুলে বলে। পরে তাৎক্ষণিক মেয়েকে নিয়ে আমি থানায় উপস্থিত হই। বিষয়টি সামাজিকভাবে নিষ্পত্তি করার কথা জানিয়ে স্থানীয় একাধিক জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতা এ ঘটনায় মামলা না করতে ভীষণ চাপ দেয়। পরে আমি তাদের সাফ জানিয়ে দেই, এই অন্যায়ের আইনগত বিচার না পেলে শিশু কন্যাকে নিয়ে আমি আত্মহত্যা করবো।

এ ব্যাপারে পুলিশ হেফাজতে থাকা অভিযুক্ত উজ্বল মিয়া জানান, ধর্ষণ নয়, আমি মাঝেমধ্যে ওই শিশু মেয়েটিকে দিয়ে আমার হাত-পা টিপাতাম, বিনিময়ে চকলেট কেনার টাকা দিতাম তাকে।

সরাইল থানার ওসি সাহাদাত হোসেন টিটো জানান, অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত উজ্বল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়েছে। শিশুটিকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। রবিবার সদর হাসপাতালে তাকে মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্পাদনা : এইচ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত