প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মায়া, কামরুল, খোকন নেতৃত্বে ফিরছেন!

নিউজ ডেস্ক : ঢাকার দুই মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন সামনে রেখে এবার সর্বাধিক আলোচনায় তিন নেতার নাম। তাঁরা হলেন অখণ্ড ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খোকন। কালের কণ্ঠ

ঢাকার দুই মহনগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে তিন নেতার যেকোনো দুজনকে দায়িত্ব দেওয়া হলে কেমন হয় সে ভাবনা এখন আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের। ওই তিনজনই ঢাকার দুই মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতা এবং ঢাকার দুই কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা যায়।
আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের গত কমিটির সাংগঠনিক নেতৃত্ব নির্বাচনের অন্যতম দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ফারুক খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি মনে করি, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে। কারণ দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা তাঁদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেননি।’ তিনি জানান, দুই অংশের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপত্যাশী অনেকেই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তাঁদের মধ্যে যোগ্যতাসম্পন্ন অনেক নেতাও আছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য জানান, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা এখন আগের মতো নেই। এর কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রাথমিকভাবে তাদের ধারণা, আগের ধারাবাহিকতায় নেতৃত্বে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নেতাদের উপস্থিতি নেই। তাই শূন্যতা পুরণ করতে বিকল্প নেতৃত্বের সন্ধান করছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সে ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের বিবেচনায় ঘুরেফিরে আসছে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার নাম। তিনি সরকারে নেই, সংসদ সদস্যও নন। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সভাপতির সম্ভাব্য তালিকায় আছে তাঁর নাম। অন্য অংশে বিবেচনায় আছেন সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এবং ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকন। তবে সব কিছু নির্ভর করছে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপর।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে আওলাদ হোসেনের নাম আলোচনায় আছে। তবে পুরান ঢাকায় শক্তিশালী অবস্থান বিবেচনা করে সাঈদ খোকনের বিষয়টিকেও শীর্ষ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছে বলে জানা গেছে। অবশ্য মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে এরই মধ্যে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আছে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট নজিবুল্লাহ হিরুর নাম। সভাপতি পদপ্রত্যাশী হিসেবে তৎপর আছেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীও।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আমাকে যেখানেই রাখবেন আমি কাজ করব। আমার বিশ্বাস, নেত্রী মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগে একটা বিরাট চমক দেবেন।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া গতকাল শনিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা যখন যে দায়িত্ব দেবেন তা যথাযথভাবে ও সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। অতীতেও তা-ই করেছি। আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে তাঁর নির্দেশ পালন করাই আমার প্রধান কর্তব্য বলে আমি মনে করি।’

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত