প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত ছিলো, এতে কোনো সন্দেহ নেই, সংসদে প্রধানমন্ত্রী

আসাদুজ্জামান সম্রাট : মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত ছিলো বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তিনি বলেছেন, ‘একটা কথা ঠিকই রোহিঙ্গা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের যে হাত রয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতার হত্যার পর বিভিন্ন হত্যা ক্যুর রাজনীতি শুরু হয় এবং এরপর পার্বত্য চট্টগ্রামে সমস্যার সৃষ্টি হয়।এটা ছিল ১৯৭৭ সালে তারপর শুরু রোহিঙ্গা সমস্যা ১৯৭৮ সালে, এটা হল বাস্তবতা।যা হোক আমরা সব সময় এটার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি।আমি ইতোমধ্যে উদ্যোগও নিয়েছি ।

বুধবার বিকেলে একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা কথা স্পষ্ট করে বলতে চাই বাংলাদেশের মাটিতে প্রতিবেশী কোনো দেশের কেউ কোন রকমের ইন্সারজেন্সি অ্যাকটিভিটিস বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে না এবং তাদের কোনো অবস্থান বাংলাদেশের মাটিতে হবে না। এ ব্যাপারটা আমরা নিশ্চিত করেছি।এগুলো তাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার, কিন্তু বাংলাদেশের মাটি আমরা কাউকে ব্যবহার করতে দেব না।আমাদের দেশ থেকে অন্য কোনো দেশে সমস্যার সৃষ্টি করুক বা কোনো রকমের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাক সেটা আর করতে দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে অতীত সরকারগুলি যা করেছিল তাদের বিতাড়িত করেছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয় এই নীতিতেই আমরা বিশ্বাস করি।

আনোয়ারুল আবেদীন খানের এক প্রশ্নের জবাববে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য যা যা করণীয়, আমরা তার সবই করে যাচ্ছি এবং করে যাব।আর কী কী দেবার আছে জানি না।তবে এইটুক বলতে পারি আমার জীবনটা আমি উৎসর্গ করেছি বাংলাদেশের জনগণের জন্য।বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে যা যা প্রয়োজন সবই আমি করব, প্রয়োজনে আমার জীবনও যদি দিতে হয় বাবার মতো তাও দিয়ে দেব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটা সময় ছিল যে, এ দেশের মানুষ একবেলা খেতে পেত না, খুব বেশি দিন আগের কথা নয়, এই ১০/১১ বছর আগের অবস্থাটাই যদি চিন্তা করেন, তাহলে তখন দেশের অবস্থাটা কি ছিল একবার চিন্তা করেন। অন্তত এখন আর সে অবস্থাটা নাই।

তিনি বলেন, আজকে আমি প্রায় ২৩টা উপজেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শতভাগ বিদ্যুতায়ন কর্মসূচি উদ্বোধন করলাম।সেখানে ৭টি নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করলাম। সেখানে একটা উপজেলার একেবারে দুর্গম এলাকার এক বোন বললেন যে, তার গ্রামে তিনি বিউটিফিকেশনের কাজ করেন এবং এই বিদ্যুৎ আজকে চলে গেছে বলে এই কাজ আরও সহায়ক হবে। মানুষের অবস্থার যে পরিবর্তন ঘটেছে, গত এক দশকে একটা ইউনিয়ন পর্যায়েও বিউটিফিকেশনের কাজ হয়। আমাদের গৃহীত পদক্ষেপটা গ্রামগঞ্জে পৌঁছে গেছে এটা শুনে ভালো লাগে।

অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, কিছু কিছু শিল্পকারখানা এত পুরনো, শত চেষ্টা করেও রুগ্ন শিল্পকে চালু করা যাচ্ছে না। সেগুলোর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

সম্পাদনা: সারোয়ার জাহান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত