প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভিয়েতনামের জঙ্গলে ৩০ বছর পর ক্ষুদ্র প্রজাতির হরিণের ছবি ধরা পড়লো ক্যামেরায়

রাশিদ : দেখলে মনে হয় ইঁদুর। আদতে তা হরিণ। তাও দেখা মিলেছিল ৩০ বছর আগে। প্রস্তর যুগে এধরনের হরিণের ছবি তখনকার শিল্পী কিংবা শিকারিরা পাহাড়ের গুহার দেয়ালে আঁকতেন। ভিয়েতনামের উত্তর-পশ্চিম বনাঞ্চলে এ প্রজাতির হরিণের ছবি ফের ক্যামেরায় ধরা পড়ল। স্টারইউকে/সিএনএন

নেচার ইকোলজি অ্যান্ড ইভলিউশন’-এ সোমবার প্রাণীটিকে নিয়ে এক প্রবন্ধে বলছে এটি একটি রুপোলি পিঠের শেভ্রোটাইন/মাউস ডিয়ার বা ইঁদুর হরিণ)। ১৯১০ সালে প্রথমবার হো চি মিন সিটি থেকে ৪৫০ কিলোমিটার দূরে নেহ ট্র্যাংয়ের কাছে দেখা মেলে এমন হরিণের।

ভিয়েতনামের দুই প্রাণী বিজ্ঞানী দীর্ঘদিন ধরেই এরকম হরিণের সন্ধান চালাতে বনেজঙ্গলে অন্তত ৩০টি ‘মোশান-অ্যাক্টিভ’ ক্যামেরা বসান। তার একটিতেই ধরা পড়ে হরিণটির ছবি। সর্বশেষ এধরনের একটি হরিণকে শিকারিরা হত্যাও করে। ভিয়েতনামে বন্যপ্রাণিদের রক্ষায় কাজ করেন গ্লোবাল ওয়াইল্ড লাইফের বায়োলজিস্ট এ্যান গুয়েন। তিনি বলেন, এধরনের হরিণ ভিয়েতনামের বনজঙ্গলের ঠিক কোথায় পাওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে আমাদের সঠিক ধারণা নেই। আর প্রাণিটি সম্পর্কে খুব কমই জানি আমরা। গত ৬ মাস ধরে ক্যামেরায় ৩’শ স্থানে তোলা বিভিন্ন প্রাণির ছবির মাঝে হঠাৎ কয়েকটি হরিণের ছবি দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু তা থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া খুব কঠিন যে ঠিক কতগুলো এধরনের হরিণ এখনো জীবিত রয়েছে। এধরনের হরিণের ২৭৫টি ছবি আমরা ক্যামেরায় ধারণ করতে পেরেছি। এই অভিযানের নেতৃত্বদানকারী আরেকজন এ্যান্ড্রু টিকার বলেন, খুব সহজেই হরিণটিকে এক হাতে ধরা যায়। বাঘ, বুনো কুকুর, অজগর কিংবা চিতার আক্রমণে এধরনের হরিণের বিলুপ্তি ঘটেছিল বলেই ধারণা ছিল আমাদের।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত