প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল

শাহানুজ্জামান টিটু : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার সকালে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মিছিলটি নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবারও বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। মিছিল শেষে পথসভায় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, ছাত্রদল নেতা কাউসারসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, মিডনাইট নির্বাচনের অবৈধ সরকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণভাবে গায়ের জোরে বন্দি করে রেখেছে। তার মুক্তির মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র ফিরবে এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিরাপদ হবে, দেশের মানুষ নিরাপত্তা ফিরে পাবে।

রিজভী বলেন, দেশনেত্রীর মুক্তির জন্য আমাদের আর বসে থাকলে চলবে না, জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। দেশনেত্রী বর্তমানে ভীষণ অসুস্থ, তিনি চলাফেলা করতে পারছেন না, নিজ হাতে খেতে পারছেন না। এমতাবস্থায় সরকার প্রধানকে বলবো-প্রতিহিংসার রাজনীতি ভুলে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। নইলে জনগণের তীব্র ক্ষোভে আপনার মসনদ ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারের কুৎসিত আত্মা দিয়ে তৈরী জাতীয় পার্টি তৈরী বলেই মশিউর রহমান রাঙ্গাদের মতো রাজনৈতিক ‘ভবঘুরেরা’ গণতন্ত্রের জন্য জীবন উৎসর্গকারী নুর হোসেনের মতো শহীদদের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য কথা বলতে পারে। এরা লুটপাটের আদর্শে উদ্বুদ্ধ গণতন্ত্রের শত্রু বলেই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ নুর হোসেনের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে পারে।

রিজভী বলেন, শহীদ নুর হোসেন আওয়ামী লীগেরই কর্মী ছিলেন। কিন্তু নির্লজ্জভাবে ‘৯০ এর পরাজিত স্বৈরাচারের ‘পথকলিদের’ সাথে জোট করে নুর হোসেনদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে গণতন্ত্রকে দেশের মাটি থেকে উচ্ছেদ করেছে।

তিনি বলেন, হেনস্তা ও অপমানের ভয়ে নাগরিক সমাজ এখন স্বাধীন মত প্রকাশের সাহস হারিয়ে ফেলেছে। এই দুঃসহ অবস্থার মধ্যেও অবৈধ সরকারের পক্ষে একদল উচ্ছিষ্টভোগী কিছু লোক গুণকীর্ত্তনে মানুষ এখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। দলীয়করণ, ভীতিপ্রদর্শন ও নানা অপকৌশলের মাধ্যমে দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আজ প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে। সারাদেশে প্রকাশ্য সন্ত্রাস করছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় না। তাদের কোনো বিচার হয়না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত