প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঐতিহাসিক অযোধ্যার রায়ে স্বাগত জানাল হিন্দু পক্ষ, খুশি নয় সুন্নি বোর্ড

মহসীন কবির : অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির হবে। বিকল্প পাঁচ একর জমি পাবে মুসলিমদের পক্ষের ‘সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড’। বিতর্কিত অযোধ্যা মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বে শীর্ষ আদালতের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ শনিবার এ রায় ঘোষণা করেন। সংবাদ প্রতিদিন ও আনন্দবাজার

ঐতিহাসিক রায়ের পর মামলাকারী সব পক্ষ থেকে রাজনৈতিক নেতা, এক সুরে সকলেই শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন। শীর্ষ আদালতের রায়ের আগে টুইট করে শান্তি রক্ষার বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এ দিন করতারপুর করিডোর উদ্বোধনে যান মোদী। সেখান থেকে টুইটে প্রতিক্রিয়া দেন তিনি। লেখেন, ‘দেশের সুপ্রিম কোর্ট অযোধ্যা নিয়ে রায় ঘোষণা করেছে। এই রায়কে কারও বিজয় বা পরাজয় হিসাবে দেখা উচিত নয়। রামভক্তি হোক বা রহিমভক্তি, আমাদের সকলের ভারত ভক্তির চেতনাকে শক্তিশালী করার এই সময়। দেশবাসীর কাছে শান্তি, সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রাখার জন্য আবেদন করছি।’

এ মামলার রায় অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা দিয়েছেন বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহলের একটা বড় অংশ। সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সম্মানার্থে স্বাগত জানালেও সন্তুষ্ট মোটেই নন ইসলাম সম্প্রদায়ের মানুষজন। রায় প্রকাশের কিছুক্ষণ পরই সাংবাদিক সম্মেলন করে তা বুঝিয়ে দিল মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের প্রধান আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানির কিছু প্রশ্ন তা স্পষ্ট করে দিল। জাফরইয়াব জিলানি সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বেশ কিছু প্রশ্ন তুললেন।

আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি বলেন, সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের তরফে রায় পুনর্বিবেচনার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা মনে করছি, এই রায় খুব একটা নিরপেক্ষ বিচার হয়নি। তবে দেশের শীর্ষ আদালতের রায়, তাই আমরা তা গ্রহণ করছি। সকলকে বলব, শান্তি বজায় রাখুন। কোনও তরফেই কোনওরকম অশান্তিতে উস্কানি দেওয়া কাম্য নয়।’ এরপর তিনি প্রশ্ন তোলেন, এএসআইয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী যা বলা হচ্ছে অর্থাৎ অযোধ্যার বিতর্কিত স্থানের স্থাপত্য অমুসলিম, তার আগেও তো একটা সময় রয়েছে। সেসময় ওখানে কী ছিল, তা তো বিচার করা হয়নি। তাহলে একটা নির্দিষ্ট সময়কালের উপর ভূতাত্বিকরা গবেষণা করেই রিপোর্ট কেন? জিলানি আরও জানিয়েছেন যে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাঁরা আইনি আলোচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। রিভিউ পিটিশন দাখিল করবেন কি না, তাও ভেবে দেখা হবে।

 

সর্বাধিক পঠিত