প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যত্রতত্র যথেচ্ছভাবে ভবন নির্মাণ করা যাবে না, বললেন পূর্তমন্ত্রী

আসাদুজ্জামান সম্রাট : গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বলেছেন, “সুপরিকল্পিতভাবে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। দেশে নগরায়ণ বা গ্রামের বিস্তার কোনো কিছুই অপরিকল্পিতভাবে করা যাবে না। সকল ইমরাত নির্মাণ পরিকল্পনার অধীন হতে হবে। শহরের সুবিধা গ্রামের মানুষের কাছে আমরা পৌঁছাতে চাই। তবে, গ্রামে বা শহরে যত্রতত্র, যথেচ্ছাভাবে ভবন নির্মাণ করে সুপরিকল্পনার ব্যাঘাত সৃষ্টি যাতে না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।”

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের উদ্যোগে ‘বিশ্ব নগর পরিকল্পনা দিবস ২০১৯’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরাধ্য সাধনা ছিলো একটি সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণের। যেখানে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সকল সুযোগ মানুষের জন্য নিশ্চিত হবে। সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জন করেছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নান্দনিক ও পরিবেশসম্মত আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য এখন আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

পরিকল্পনার বাইরে কোনো কিছু হতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি আরো যোগ করেন, “একটি মাস্টারপ্ল্যানের অধীন সমগ্র বাংলাদেশ এগিয়ে চলবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিষ্কার নির্দেশনা হচ্ছে, গ্রামের কৃষি জমি থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জমিতেও ভবন নির্মাণ বা যে কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করতে হলে সেটা পরিকল্পনা অনুযায়ী হতে হবে। এ জন্য আমরা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আমরা চাই দেশকে সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নিতে। এক্ষেত্রে পরিকল্পনাবিদদের ভূমিকা অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে আধুনিক নির্মাণ বা পরিকল্পিত যে কোনো সৃষ্টির ক্ষেত্রে পকিল্পনাবিদদের ভূমিকা রয়েছে।”

শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. এ কে এম আবুল কালাম ও সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান, রাজউকের নগর পরিকল্পনাবিদ আশরাফুল ইসলাম, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রীর একান্ত সচিব ড. আবু নঈম মুহাম্মদ আবদুছ ছবুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শোভাযাত্রায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সদস্যবৃন্দ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ, ব্র্যাক ও সেভ দ্যা চিলড্রেনের প্রতিনিধিবৃন্দও অংশগ্রহণ করেন।

সর্বাধিক পঠিত