প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে জাবি ভিসিকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিলো দিনের পর দিন

 

জয়দেব নন্দী : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে, তা যদি সুনির্দিষ্ট করে তথ্য-উপাত্তসহকারে উপস্থাপন করা হয়, আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নেবো। সেখানে ভিসি দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তি ভিসি পাবে আর অভিযোগকারীরা যে অভিযোগের কথা বলছেন, তা যদি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না দিতে পারে তাহলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে’। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই কথার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভিসি হটাও’ আন্দোলনের শিক্ষক নেতা সাইদ ফেরদৌস মিডিয়াতে বললেন, ‘জাহাঙ্গীরনগরের ভিসির দুর্নীতির কথা লোক মুখে শুনেছেন, দুয়েকটি পত্রিকায় পড়েছেন। আমরা সুনির্দিষ্ট তথ্য কোথায় পাবো?’ লোকমুখে শুনে বা দুয়েকটি পত্রিকার খবর পড়েই সত্যাসত্য বিশ্লেষণ না করে নেমে পড়লেন জাবির ভিসি পদত্যাগ আন্দোলনে?

সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া একজন শিক্ষক হয়ে আরেকজন শিক্ষককে দুর্নীতিবাজ বলতে পারেন আপনি? যেহেতু বলেছেন, সেহেতু তথ্যও তো আপনাকে উপস্থাপন করতে হবে। যদি সেটি না পারেন, তাহলে কেন আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে না?আপনারা ভিসির কার্যালয়, বাসভবন সব অবরুদ্ধ করে ফেলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-কার্যক্রমকে অচল করে দিয়েছেন কিসের ভিত্তিতে? কোন তথ্যের ভিত্তিতে? ঘুরেফিরে হয়তো সেই গায়েবী ফোনালাপের কথা বলবেন। ওই ফোনালাপ ভিসির বিরুদ্ধে আপনাদের একমাত্র অবলম্বন। এতো বুঝদার শিক্ষক আপনারা, একবারের জন্যও কি মনে হয়নি, এটি সাজানো ফোনালাপ? আপনাদের সন্তানসম যারা, তাদের জিজ্ঞাসা করুন, তারাও বলবে, এই ফোনালাপ সাজানো। আপনারা পারেনও বটে। ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে ভিসিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন দিনের পর দিন। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা থেকে বিতাড়িত করেছেন। এখন আবার কর্মসূচি দিয়েছেন  ‘ভিসির বাসভবনের সামনে কনসার্ট’। আপনাদের মগজেরও প্রশংসা করতে হয়। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত