প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইন্টারনেট স্বাধীনতায় বাংলাদেশ আংশিক মুক্ত

আসিফুজ্জামান পৃথিল : স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র নিয়ে কাজ করা সংস্থা ফ্রিডম হাউজ এই গবেষণা পরিচালনা করেছে। ৬৫ দেশের ওপর পরিচালিত এই জরিপে ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ৫১। যে দেশের স্কোর যতো কম তার স্বাধীনতা তত বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশেই ইন্টারনেটের স্বাধীনতা নেই। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত ও শ্রীলঙ্কার ইন্টারনেটও আংশিক মুক্ত। আর পাকিস্তানের ইন্টারনেট মুক্ত নয়। মিয়ানমারেও ইন্টারন্টে স্বাধীনতা নেই।

ইন্টারনেটে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাঁধাজনিত স্কোরে বাংলাদেশ পেয়েছে ২৫ এ ১২। কনটেন্টে বিধিনিষেধে ৩৫ এ বাংলাদেশ পেয়েছে ১৪। ব্যবহারকারীর অধিকার হরণে ৪০ এ বাংলাদেশের স্কোর ২৫।

১ জুন ২০১৯ থেকে ৩১ মে ২০১৮ এর ঘটনাবলির ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরী করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে ২০১৮ সালের শুরুতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর খসড়া প্রস্তুত করে মন্ত্রীসভা। প্রতিবেদনটি বলছে, বাংলাদেশের মানুষ ইন্টারনেট থেকে আংশিক সুবিধা নিতে পারে। বাংলাদেশ সরকার কিছুটা কড়াকড়ি আরোপ করতে চাইলেও, ব্যবহারকারীরা যথেষ্ঠ সচেতন হওয়ায় তা হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি জানাচ্ছে বাংলাদেশে প্রাপ্ত ফোর জি সেবার মান খারাপ নয়। তবে মোবাইল কোম্পানিগুলো এ খাতে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করছে।
বিশ্বের সবচেয়ে মুক্ত ইন্টারনেটের দেশ ইউরোপের এস্তেনিয়ায়। দেশটির স্কোর ১০ তে মাত্র ৬। অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ২১, যুক্তরাষ্ট্রের ২২ আর যুক্তরাজ্যের ২৩। বিশ্বে সবচেয়ে কম স্বাধীন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশ চীন। তাদের স্কোর ৮৮। এরপরেই ইরানের স্কোর ৮৫। সিরিয়া ৮৩, পাকিস্তানের ৭২, রাশিয়ার ৬৭ আর মিয়ানমারের ৬৩। দক্ষিণ এশিয়ার অপর দুই দেশ ভারত ও শ্রীলঙ্কার স্কোর যথাক্রমে ৪৩ ও ৪৭।
এজেডপি/এমআই

সর্বাধিক পঠিত