প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আগামী বছর লন্ডনে ম্যারাথনে যাচ্ছেন ৬৮ বছরের বাংলাদেশি

ওমর ফারুক : নৃপেন চৌধুরীর বয়স ৬৮ বছর হলেও দৌড়ে তাঁর কাছে হার মানে অনেক তরুণ।এ বয়সেও অনায়াসে ৫০ কিলোমিটার টানা দৌড়াতে পারেন তিনি।অথচ তিন বছর আগেও এটি ছিলো তাঁর কাছে অকল্পনীয়। সূত্র : বিবিসি

৬৫ বছর বয়সে যখন নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে অবসর নেন, তখন অবসর সময় কাটাতে দৌড়ানো শুরু করেন। দৌড়াতে গিয়ে দেখেন, ১৫ বছর ধরে যে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তা-ও পুরোপুরি সেরে গেছে নিয়মিত দৌড়ের ফলে। গেল তিন বছরে তিনি দেশে-বিদেশে ৩৫টির বেশি রানিং ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন।২০২০ সালে দৌড়াবেন লন্ডনের বিখ্যাত ভার্জিন মানি ম্যারাথনে।

নৃপেন জানান, ২০১৬ সালের মাঝামাঝিতে তিনি দৌড়ানো শুরু করেন।তখন টেলিভিশনের ম্যারাথনের একটি দৃশ্য দেখে তিনি উদ্বুদ্ধ হন।ওই দৃশ্যে তরুণ, যুবক ও বৃদ্ধদের দৌড়াতে দেখে নৃপেনের খুব ভালো লাগে।এরপর তিনি ভাবেন, এভাবে দৌড়াতে পারলে নিজেরও ভালো লাগবে।এর পরের দিনই শুরু হলো দৌড়ানো।

নৃপেন বলেন, ‘প্রথম দিন শুরু করলাম, কিছু দূর যাওয়ার পর দেখি হাঁপিয়ে গেলাম। তখন আমি ইউটিউবে দৌড়ের টিপস খোঁজা শুরু করলাম। কিছু টিপস অনুযায়ী আমার দৌড়ানো শুরু হলো। তার পর থেকে আমাকে আর পিছপা হতে হয়নি। আমরা যখন অনেকক্ষণ দৌড়াই, তখন আমাদের ফুসফুস বড় হয়।’

নৃপেন জানান, তিনি ১৫ বছর ধরে ইনহেলার ব্যবহার করতেন। দৌড়াতে দৌড়াতে তিনি অনুভব করেন যে তাঁর আর শ্বাসকষ্ট নেই। আড়াই বছর ধরে তাঁকে আর ইনহেলার নিতে হয়নি।

নৃপেন চৌধুরী এরই মধ্যে ৪২ কিলোমিটারের দুটি ফুল ম্যারাথন, ৫০ কিলোমিটারের একটি আল্ট্রাম্যারাথন সম্পন্ন করেছেন। ২১ কিলোমিটারের হাফ ম্যারাথন করেছেন ১২টি; আর একটি ২৫ কিলোমিটারের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নৃপেন বলছিলেন, ‘আমার দুই মেয়ে; বড় মেয়ে চিকিৎসক আর ছোট মেয়ে অধ্যাপক। আমার মেয়েরা প্রতিষ্ঠিত, তাদের বিয়েও হয়ে গেছে। ২০১৫ সালে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছি, এখন আর ব্যবসার দরকার নেই। এখন আমি জীবনটা উপভোগ করব।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত