প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিংগাইর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে আর্সেনিকের তথ্য নেই!

সিরাজুল ইসলাম, সিংগাইর: মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে আর্সেনিক সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই। উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাসেল মিয়ার কাছে লিখিত আবেদন করেও মিলেনি কোন তথ্য।

তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী সিংগাইরে আর্সেনিক আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৮ জন। এছাড়া উপজেলা ব্যাপী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আর্সেনিক ও আয়রণযুক্ত নলকূপ রয়েছে।

যার পরিসংখ্যাণ স্থানীয় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস সংরক্ষণ করে না বলে লিখিতভাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানানো হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে সরকারি ও ব্যক্তিগতভাবে স্থাপিত অধিকাংশ নলকূপের পানি আর্সেনিক ও আয়রনযুক্ত।

প্রায় ১৮ বছর আগে সরকারিভাবে পানি পরীক্ষা করে আর্সেনিকযুক্ত টিউবওয়েল গুলোতে লাল চিহ্ন দেয়া হয়। যা অনেক আগেই উঠে গেছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় জনসাধারণ বাধ্য হয়ে আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করছে।

এতে এপর্যন্ত প্রায় ২৮ জন আর্সেনিক আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত হলেও বর্তমানে ৭ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। সেই সঙ্গে শত শত লোকের দেহে নিরব ঘাতক আর্সেনিক বাসা বাঁধছে।

এবিষয়ে সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য সিংগাইর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাসেল মিয়ার মুঠোফোনে সপ্তাহ খানেক ধরে বার বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: সামিউর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করলে ত্বক, লিভার ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

এ ব্যপারে মানিকগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী কাবুল উদ্দিন খান বলেন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস কোন তথ্য সংরক্ষণ না করলে তারা টিউবওয়েল স্থাপন করেন কিভাবে। বিষয়টি আমার বোধগম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখারও আশ্বাস দেন তিনি। সম্পাদনা: জেরিন মাশফিক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত