প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঠিকাদারি, টেন্ডারবাজী, ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি তাদের প্রধান কাজ
৩৪ কাউন্সিলর নানা অপরাধে জড়িত

সুজিৎ নন্দী : ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৪ জনের বেশি ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে সরাসরি চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, জুয়া, দখলবাজি, ফুটপাত দখল করে অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নকমীদের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে থাকে। এরই মধ্যে প্রায় প্রমাণ মিলেছে প্রায় এক ডজন কাউন্সিলরদের বিরুদ্দে।
যারা অবৈধ ক্যাসিনো, জুয়ার আসর ও ফুটপাতের অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত। কেন্দ্রীয় যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় এরা জড়িত। এই কাউন্সিলরদের মধ্যে প্রায় দেড় ডজন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা। রাতভর তারা এসব অপকর্ম করেন এরকম অভিযোগ স্থানীয়দের। এরই মধ্যে প্রায় ২ জন কাউন্সিল গ্রেফতার এবং সদ্য বহিষ্কৃত একজন কাউন্সিলর দেশের বাইরে আছে।

দক্ষিণে ঠিকাদারি, টেন্ডার ও দখলবাজিতে শীর্ষে আছে ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ রতন। যার দৌরত্বে এলাকার মানুষ এখনো আতংকের মধ্যে আছে। টেন্ডারবাজীতে সরাসরি জড়িত। অফিসে না বসলেও তার লোকজন এখনো চাঁদাবাজিতে যুক্ত। এর পাশাপাশি ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদ হোসেন (মহসিন), ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম হোসেন, ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আশ্রাফুজ্জামান, ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর (সদ্য বহিষ্কৃত) একেএম মমিনুল হক সাঈদ, ১২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল গোলাম আশরাফ তালুকদার, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তফা জামান পপি, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জসীম উদ্দিন আহমেদ, ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারিকুল ইসলাম সজীব, ২৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার পারভেজ বাদল, ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হাসান (পিলু), ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিল্লাহ শাহ, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আউয়াল হোসেন, ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ময়নুল হক মঞ্জু, ৪০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মকবুল ইসলাম খান টিপু,  ৫২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ নাছিম মিয়া, সংরক্ষিত আসনে ১৩ নম্বর কাউন্সিলর রাশিদা পারভীন (মণি) ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোসাম্মৎ শিউলী হোসেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) এর মধ্যে ঢাকা উত্তরের কাউন্সিলর সদ্য গ্রেফতার হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে (পাগলা মিজান), ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের তারেকুজ্জামান রাজিব (বর্তমানে কারাগারে), বর্তমানে ভাটারা এলাকার ত্রাস ৪০ নম্বর নজরুল ইসলাম ঢালি। যার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজী, ফ্ল্যাট দখলকরাসহ প্রায় ২০টিও বেশি অভিযোগ আছে। এছাড়া থানা থেকে অপরাধীদের ছাড়িয়ে আনার অভিযোগ রয়েছে। এবার গরুর হাটে ব্যাপারীদের কাছ থেকে গরু ছিনতাইয়ের অভিযোগ আছে। পরিচ্ছন্নকমীদের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে থাকে।

৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোবাশ্বের চৌধুরী, ৮ নম্বর কাজী টিপু সুলতান, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর আলম, ২৬ নম্বর কাউন্সিলর শামীম হাসান, ৩০ নম্বর কাউন্সিলর আবুল হাসেম হাসু, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড জাহাঙ্গীর আলম, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৫ রাজিয়া সুলতানা ইতির নাম এসেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত