প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এবার হাইপারসনিক ক্ষেপনাস্ত্র তৈরির ঘোষণা ভারতের

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ইতোমধ্যেই এ নিয়ে প্রাথমিক প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা সেরে ফেলেছে ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)। খুব শীঘ্রই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই হাইপারসনিক মিসাইল প্রযুক্তির পর্যালোচনা করবেন বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গেছে। হিন্দু, আনন্দবাজার

ডিআরডিও সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এই হাইপারসনিক মিসাইল তৈরির পরিকল্পনা চলছিল। সেই মতো চলছিল প্রযুক্তিগত গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিআরডিও-র এক শীর্ষ কর্মখর্তা জানিয়েছেন, একটি উইন্ড ট্যানেল তৈরি করে প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটিগুলি সুনির্দিষ্ট মাত্রায় নির্ধারিত করার পরেই মিসাইল তৈরির কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, ‘উন্নততর যুদ্ধাস্ত্র ব্যবস্থার অন্যতম এই হাইপারসনিক প্রযুক্তি। তাই সেটা নিয়ে খুব গভীর ভাবে গবেষণা করছি।’
শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন হলে তাকে সুপারসনিক বলা হয়। ভারত আর রাশিয়ার যৌথ ক্রুজ ক্ষেপনাস্ত্র ব্রাহ্মস এই প্রযুক্তিতেই তৈরি। কিন্তু হাইপারসনিক-এর অর্থ শব্দের চেয়ে পাঁচ গুন বেশি গতিসম্পন্ন।

মাইলের এককে ধরলে প্রতি সেকেন্ডে এক মাইলেরও বেশি গতিতে ছুটতে পারে এই হাইপারসনিক প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে ইন্টার কন্টিনেন্টাল ব্যালাস্টিক মিসাইল (আইসিবিএম) এর চেয়ে দ্রুতগতিতে ছুটতে পারলেও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ খুব সহজ। শত্রুপক্ষও এর অবস্থান কার্যত ধরতেই পারে না। এর কার্যকারিতাও ব্রহ্মসের মতোই বহুমুখী হবে। ভূমি, আকাশ এবং যুদ্ধজাহাজ তিন প্ল্যাটফর্ম থেকেই ছোড়া যাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র। সক্ষম হবে পরমাণু অস্ত্র থেকে শুরু করে রাসায়নিক ও জৈবিক অস্ত্র বহনে।

ব্রাহ্মোস রাশিয়ার প্রযুক্তিতে তৈরি হলেও নতুন এই ক্ষেপনাস্ত্র সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি করতে চায় ভারত। এর আগে শুধু যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীন এ ধরণের ক্ষেপনাস্ত্র তৈরি করতে পেরেছে। সফল হলে ভারত হবে হাইপারসনিক ক্ষমতার ৪র্থ দেশে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত