প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চট্টগ্রামে বাস মালিক ও শ্রমিকদের সংগঠনের ডাকে হঠাৎ ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা !

রাজু চৌধুরী,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীতে বাস মালিক ও শ্রমিকদের সংগঠনের ডাকে সোমবার  কোনো ঘোষণা না দিয়ে ভোর থেকে নগরের সকল রুটের লোকাল বাস ও গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।  এতে পরিবহন শ্রমিকদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে সাধারণ শ্রমজীবী ও অফিসগামী ও স্কুল-কলজের শিক্ষার্থীরা।

নিজের গন্তব্যে যাওয়া সাধারণ জনগণ বলেন, এইসব অসহ্য ! কথায় কথায় ধর্মঘটের নামে গাড়ি চালানো বন্ধ করে দিচ্ছে পরিবহন মালিকরা আর সাধারণ জনগণ চরম ভোগান্তিতে পড়ছে।

হালিশহর এলাকার এক অধিবাসী জানান অফিসের উদ্দেশ্যে বের হয়ে সকাল ৮টায় নয়াবাজারের মোড়ে বাসস্ট্যান্ডে দেড় ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করেও বাস বা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠতে পারেননি তিনি।

নগরের সকল কর্মজীবী, শ্রমিক যারা লোকাল বাস কিংবা গণপরিবহন ব্যবহার করেন এমন অসংখ্য মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন সোমবার।

জানা যায়,  রোববার নগরীর ১০ নম্বর রুটের চট্টমেট্রো একটি বাস কালুরঘাট পর্যন্ত না গিয়ে চান্দগাঁও থানার সামনে থেকে ঘুরিয়ে দেয়।  নির্দিষ্ট এলাকায় না যাওয়ার কারণে বহদ্দারহাট মোড় থেকে বাসটি আটক করে বিআরটিএ’র ভ্রাম্যমাণ আদালত।  আটক করার পর দেখা যায়, বাসটির পিছনের কাঁচটি প্রায় পুরোটাই ভাঙা।

যাত্রীদেরকে বাসের পেছনের অবস্থা দেখানো হলে তারাও ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং চালক-মালিকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান আদালতের কাছে।  পরে বাসটির মালিককে মোবাইল কোর্টে হাজির করে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ বাস রাস্তায় কেন নামানো হয়েছে জিজ্ঞাসা করা হলে মালিক ও চালক কেউই সদোত্তর দিতে পারেননি।

ফলে ফিটনেসবিহীন বাস রাস্তায় চালিয়ে ও চালাতে দিয়ে যাত্রীদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলার অপরাধে বাসের মালিক মো. মনির হোসেনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে এবং চালক মো. শামীম উদ্দিন ও হেলপার মো. আলমগীরকে ১ মাস করে কারাদণ্ড দেয়।

এর কারণে ক্ষুদ্ধ হয়ে নগরীর বাস মালিক ও শ্রমিকরা সোমবার কোনো প্রকার বাস নামতে দেয়নি।  মালিক বা শ্রমিক সংগঠনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই এ সিদ্ধান্ত তারা নেয়।  যার কারণে সকাল থেকে কোনো বাস বের করতে পারেনি চালকেরা।  সম্পাদনা: জেরিন মাশফিক

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত