প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ২০ জনকে হত্যার দাবি ভারতের

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব দিতেই পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে পাল্টা গোলাবর্ষণ করেছে তারা। তারা বলছেন টংধার সেক্টরে পাকিস্তানি হামলায় নিহত হন দুই সেনাসদস্য ও এক বেসামরিক। ভারতীয় সেনাবাহিনী বলছে, ভারতের গোলাবর্ষণে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে থাকা অন্তত তিনটি পাকিস্তানি ‘জঙ্গি’ ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে। এতে পাকিস্তানি সেনা ও ‘জঙ্গী’ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ২০। হিন্দুস্তান টাইমস, ডেকান ক্রনিকেলস

মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানায় ভোটের ঠিক এক দিন আগে নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘর্ষ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস-আরজেডির মতো বিরোধী দলগুলি। কংগ্রেস নেতা অখিলেশ সিং বলেন, ‘যখনই বড় কোনও নির্বাচন আসে তখনই যুদ্ধের জিগির ওঠে। অতীতেও দেখা দিয়েছে। কাল দুইরাজ্যে নির্বাচন। তার আগে আবার সেই একই চিত্র দেখা গেল।’ আরজেডি নেতা মনোজ ঝা বলেন, ‘প্রশ্ন সময় নিয়েই। কেন ঠিক ভোটের আগেই যুদ্ধ হয়, সেটাই আশ্চর্যের!’

ঘটনার স‍ূত্রপাত গত শনিবার সন্ধ্যায় বলে দাবি ভারতের। ভারতীয় সেনাবাহিনীর বক্তব্য, জম্মুর কাঠুয়ায় মনইয়ারি-চোরগলি এলাকা লক্ষ্য করে পাক রেঞ্জার্স মর্টার ছুড়লে আহত হন সাদিক আলি নামে এক ব্যক্তি। এর পরে সোমবার ভোর রাত থেকেই কুপওয়ারার টংধার সেক্টরে বিনা প্ররোচনায় গুলি-গোলা চালাতে শুরু করে পাকিস্তান। সেনার সন্দেহ, সম্ভবত জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটাতেই ওই হামলা চালানো হয়। পাক হামলায় নিহত হন পদমবাহাদুর শ্রেষ্ঠ ও জামিলকুমার শ্রেষ্ঠ নামে দুই সেনাসদস্য। পদমবাহাদুর আসামের গোলাঘাট জেলার বড়পাথারের বাসিন্দা। জামিলকুমারের বাড়ি নেপালের পাল্পায়। দুজনেই গুর্খা।

জবাবে টংধারের উল্টো দিকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের নীলম উপত্যকায় থাকা ‘জঙ্গি ঘাঁটি’ লক্ষ্য করে প্রত্যাঘাত করে ভারতীয় সেনা। মর্টারের পাশাপাশি বফর্স কামানও ব্যবহার করে ভারত। রোববার সন্ধ্যায় ভারতের সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত বলেন, ‘জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করতেই কামান ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাথমিক যে-তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাতে তিনটি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে। অল্পবিস্তর ক্ষতি হয়েছে আর একটির। ৬-১০ জন পাকিস্তানের সেনা ও সমসংখ্যক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। যে-ভাবে গোলাবর্ষণের পর থেকে জঙ্গি শিবিরগুলিতে রেডিয়ো নীরব হয়ে রয়েছে, তাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত