প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কাউন্সিলর রাজীব মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে গড়েছেন শত কোটি টাকার সম্পদ

জেরিন মাশফিক: কাউন্সিলর হয়ে তিনি মোহাম্মদপুর এলাকায় জমি আর প্লট দখল করে গড়েছেন সাম্রাজ্য। তিনি মোহাম্মদপুরের স্বঘোষিত জনতার কমিশনার তারেকুজ্জামান রাজিব। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে গড়েছেন শত কোটি টাকার সম্পদ। ছয় হাজার টাকার ভাড়া বাসা থেকে ওঠেন ৬ কোটি টাকার ডুপ্লেক্স বাড়িতে। র‌্যাব-এর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এসব অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। সূত্র: ডিবিসি নিউজ

চলাফেরা আর বেশভূষা দেখলে হঠাৎ মনে হতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো রাজা বাদশা। কোথাও গেলে সঙ্গে থাকে গাড়ির বহর আর মোটর বাইকের শোডাউন। আশেপাশে কেউ ধরে রাখে ছাতা। ইচ্ছে হলেই বদলান গাড়ির মডেল।

যুবলীগের পদ আর কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েই তার এই উত্থান। চাঁদাবাজি, প্লট দখল কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রনের নানা অভিযোগে রবিবার গ্রেপ্তার হন আলোচিত ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব।

এক সময় টং দোকান থেকে জমির দালালি শুরু করেন রাজিব। পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে এলাকায় প্রভাব তৈরি করেন তিনি। এরপর মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমি ও প্লট দখল শুরু করেন। ছয় বছরের ব্যবধানে তৈরি করেন ডুপ্লেক্স বাড়ি। তার পেছনে রয়েছে একজন রাজনীতিবিদের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতা। যদিও তার স্বজনদের দাবি এসব অভিযোগই মনগড়া।

অভিযোগ রয়েছে, মোহাম্মদপুরের রহিম ব্যাপারির ঘাটে আব্দুল হক নামের এক ব্যাক্তির ৩৫ কাঠার প্লট দখলে রেখেছেন রাজিব। সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে যুবলীগের কার্যালয়। সরেজমিনে দেখা যায় রাজিব গ্রেপ্তার হওয়ার পর এখনো সেখানে শক্ত অবস্থান তার অনুসারীদের।

এসব ছাড়াও মোহাম্মদিয়া হাউজিং, চাঁন উদ্যানসহ নানা জায়গাই বেশকিছু প্লট দখলে রেখেছেন রাজিব।পাবলিক টয়লেট নির্মাণের মাধ্যমে জমি দখল করে দোকান গড়ে তুলেছেন।

তার এই কর্মকাণ্ড দেখে ভয়ে চুপ থাকলেও গ্রেপ্তার হবার পর এখন মুখ খুলতে শুরু করেছে এলাকাবাসী। রাজিবের বিরুদ্ধে যারা আগে গণমাধ্যমে কথা বলেছে তাদের এখন মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ভুক্তভোগিরা।

তবে, তাকে গ্রেপ্তারের পর আনন্দিত এলাকাবাসী। সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মিছিলও হয়েছে। যদিও রাজিবের একান্ত অনুগত অনুসারীরা এখন এলাকাছাড়া।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত