প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আঘাতের চিহ্ন নেই, গণধর্ষণ মামলায় ‘সম্মতিসূচক যৌনতা’র নিদান ভারতের হাইকোর্টে

রাশিদ রিয়াজ : পরীক্ষা করে মহিলার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন খুঁজে পাননি চিকিৎসক। এর থেকে মনে হচ্ছে যে, যৌন মিলনে তাঁর আপত্তি ছিল না। তাঁকে যে ধর্ষণ করা হয়েছিল, তার সপক্ষে কোনও যুক্তিপূর্ণ সাক্ষ্য পাওয়া যায়নি। ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর রাতে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে পরের দিন সকাল পর্যন্ত বাড়িতে ফেরেননি ওই তরুণী। ঘটনায় ৪ তরুণের বিরুদ্ধে তাঁকে অপহরণ করার পরে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়।
২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে চার অভিযুক্তকে বেকসুর মুক্তি দেয় নিম্ন আদালত।

ওই গণধর্ষণ মামলায় এর আগে অভিযোগ খারিজ করেছিল নিম্ন আদালত। শনিবার পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট সেই রায় বহাল রেখে জানিয়েছে, ‘আমাদের মনে হয়েছে, এই মামলায় সংশ্লিষ্ট মহিলাকে আদৌ অপহরণ করা হয়নি। তাঁর আইনজীবী আদালতের সামনে যে তত্ত্ব পেশ করেছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। উলটে বিবাদী পক্ষের সওয়াল অনেক বেশি যুক্তিনির্ভর।’

হাইকোর্টের বিচারপতি যশবন্ত সিং এবং বিচারপতি ললিত বাত্রার বেঞ্চ জানিয়েছে, ‘তাঁকে যে ধর্ষণ করা হয়েছিল, তার সপক্ষে কোনও যুক্তিপূর্ণ সাক্ষ্য পাওয়া যায়নি। মহিলার বয়ানের বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকায় বিবাদী পক্ষকে বেনিফিট অফ ডাউট দিতে আমাদের আপত্তি নেই।’

নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ, ২০১৫ সালের ৩০ অক্টোবর রাতে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে পরের দিন সকাল পর্যন্ত বাড়িতে ফেরেননি তাঁর মেয়ে। অমিত, সূরয, কান্নু ও বিকাশ নামে চার তরুণের বিরুদ্ধে তাঁকে গাড়িতে অপহরণ করার পরে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়। মামলার শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অভিযুক্ত অমিত বলেন, তাঁর নামে মিথ্যা অভিযোগ করে ফাঁসানোর চেষ্টা হয়েছে।

২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে চার অভিযুক্তকে বেকসুর মুক্তি দেয় নিম্ন আদালত। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান অভিযোগকারী। ২০১৮ সালে অমিত ছাড়া বাকি তিন অভিযুক্তকে রেহাই দেয় হাইকোর্ট।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত