প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাস্তা পারাপারে রাজধানীতে ‘পুশ বাটন ডিজিটাল সিগন্যাল’

মাজহারুল ইসলাম ; বিশ্বের উন্নত শহরগুলোর আদলে তৈরি হচ্ছে এই সিগন্যাল। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ডিএনসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল (টিইসি) সিগন্যালগুলো বসানোর কাজ করছে। সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, পথচারীদের যত্রতত্র সড়ক পারাপারের ঝুঁকি এড়াতে এবং বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, প্রতিবন্ধী ও অন্ধ পথচারী এবং যানবাহনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতের উদ্দেশ্য নিয়ে এসব সিগন্যাল বসানো হচ্ছে। বাংলানিউজ

এ সিগন্যালে সড়ক পারাপারে ইচ্ছুক কোনো পথচারী পুশ বাটনে চাপ দিলে ডিজিটাল সিগন্যালে একটি ‘কাউন্টডাউন’ শুরু হবে। নির্ধারিত সময় শেষ হলে পথচারীদের জন্য ‘সবুজ’ সংকেত ভেসে ওঠবে সিগন্যালে। অন্যদিকে যানবাহন চালকদের জন্য ভেসে ওঠবে ‘লাল’ সংকেত। অন্ধ পথচারীদের জন্য এই ডিভাইসে আছে ‘ভয়েস’ নির্দেশিকা সুবিধা।

প্রথম দফায় মোহাম্মদপুর এবং মহাখালীতে দুটি সিগন্যাল স্থাপন করা হয়েছে। খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ টাকা। তবে ডিএনসিসির টিইসি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সড়কের প্রশস্ততা হিসেবে প্রতিটি সিগন্যাল বসাতে ভিন্ন ভিন্ন অংকের খরচ হতে পারে।

জানা যায়, চলতি অর্থবছরে নাগাদ আরও ২০টি পয়েন্টে পুশ বাটন বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আর ২০২০ সাল নাগাদ এই সিগন্যালের সংখ্যা হবে মোট ৪৮টি। এজন্য ৪৮টি জায়গার তালিকা সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ বিষয়ে ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এ এস এম মামুন বলেন, পথচারীরা যেন নিরাপদে সড়ক পারাপার হতে ব্যবস্থা তৈরির নির্দেশ দেন মেয়র। সে মোতাবেক ডিএনসিসির সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এই সিগন্যালগুলো বসানো হচ্ছে। এর ফলে পথচারীরা এলোমেলোভাবে সড়ক পারাপার না করে সুশৃঙ্খলভাবে পারাপার হবেন। তিনি বলেন, এসব সড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালকেরা জানবেন, সামনে নির্দিষ্ট জায়গায় এই সিগন্যাল আছে এবং সেখান থেকে পথচারীরা পারাপার হবেন। তাই তারা আগে থেকেই সাবধান থাকবেন এবং সিগন্যাল পয়েন্টে ধীর গতিতে গাড়ি চালাবেন বা লাল সংকেত দিলে থেমে যাবেন। এতে দুই দিকেরই নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। পথচারী এবং যানের চালক যদি সচেতনতার সঙ্গে এই সিগন্যাল ব্যবহার করেন তাহলে সড়ক পারাপারে দুর্ঘটনা একেবারেই কমে আসবে।

এমআই/এসবি

সর্বাধিক পঠিত