প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ, বললেন জয়

বাশার নূরু: রোববার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে বেশ কয়েকটি সরকারি সেবা এবং ই-গভর্মেন্ট মাস্টার প্ল্যান রিপোর্টের মোড়ক উন্মোচনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় একথা বলেন। এতে ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের, ই-গভর্নমেন্ট মাস্টার প্ল্যান রিপোর্ট এর মোড়ক উম্মোচন, ডিজিটাল মিউনিসিপালিটি সার্ভিস সিস্টেম, একসেবা, একপে এবং একশপ অ্যাপ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

ডিজিটাল সেবা দিয়ে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ জাতিসংঘের ৫০ তম তালিকায় থাকবে বলে মন্তব্য করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিক সেবাগুলো মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। এরইমধ্যে সেবা ডিজিটাইজেশনে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন যেমন বাস্তবতা তেমনি আগামীতে এটাই বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে।

জয় বলেন, ই-গভর্নমেন্ট মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের পরীক্ষামূলক সময়ে আমরা ১টি সিটি করপোরেশন ও ৯টি পৌরসভার ২০ লাখেরও বেশি নাগরিককে ৫ ধরণের ‘নাগরিক সেবা’ পৌঁছে দেব। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা ৩০০ পৌরসভাকে নাগরিক সেবা প্রদানের এই প্লাটফর্মে যুক্ত করব।

তিনি বলেন, বর্তমানে ইনডেক্সের ১১৫ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। আগামী পাঁচবছরে আরও ৫০ ধাপ উন্নতি করে দুই অংশে আসবো আমরা। এটাই আমাদের লক্ষ্যমাত্রা। ১০ বছর আগে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিলাম। তখন অনেকেই বুঝতে পারেনি যে, ডিজিটাল বাংলাদেশ কী? তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা তাদের ভুল প্রমাণ করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তব। আজ যা দেখছেন তা ডিজিটাল বাংলাদেশের সামান্য কিছু। আরও অনেককিছু আমরা করেছি এবং সামনে করবো।

সরকারি সেবা সম্পর্কে জয় বলেন, এই পাইলট প্রজেক্ট দিয়ে প্রায় ২০ লাখ নাগরিককে সেবা দেওয়া হবে। ২০২০ সালের মধ্যে ৩০০ মিউনিলিপালিটিকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এখানে আরও ডিজিটাল সার্ভিস অন্তর্ভুক্ত হবে। ২০২১ সালের মাঝে দেশের অধিকাংশ নাগরিক অধিকাংশ সেবা হয় তাদের হাতের ছোঁয়ার মাধ্যমেই পাবে, নয়তো আমাদের ইউনিয়ন ডিজিটাল সেবাকেন্দ্রের মাধ্যমে নিতে পারবে।

ডিজিটাল সেবাগুলো সম্পর্কে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থায় এগিয়ে যেতে হলে দরকার সময় এবং অর্থের ব্যয় কমিয়ে আনা। তার জন্যই এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর উদ্যোগে আমরা করেছি একশপ, একপে এবং একসেবা।

একসেবায় এখন পর্যন্ত ১৬২টি সরকারি সেবা আছে। নাগরিকদের ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বা ভিন্ন ভিন্ন ওয়েবসাইটেও যেতে হবে না। এখান থেকেই এসব সেবা পাবেন। পর্যায়ক্রমে এতে আরও তিন হাজার সেবা অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য আছে আমাদের। একপে-এর মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন ইউটিলিটি সেবার বিল ও অন্যান্য ফি এক জায়গা থেকেই দেওয়া যাবে। আর একশপ এর মাধ্যমে দেশের আনাচে কানাচে থেকে পণ্য উৎপাদক বা উদ্যোক্তারা ই-কমার্সে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারবে। এসব সেবা পরীক্ষাম‚লকভাবে ১০টি মিউনিসিপাল অঞ্চলে (সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা) শুরু করা হয়েছে। ৩২৯টি মিউনিসিপাল অঞ্চলকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

অনুষ্ঠানে ১০০ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত