প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভাসানচরে যেতে রাজি হচ্ছেন ৬০ রোহিঙ্গা পরিবার

ফরহাদ আমিন : কক্সবাজারের টেকনাফের শরণার্থী শিবিরগুলোতে চাপ কমাতে এক লাখ রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য জাদিমোরা ও শালবাগান শরণার্থী শিবির থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে সাড়ে চারশতাধিক পরিবারের একটি তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে। এসব পরিবারগুলোর তালিকা পাওয়ার কথা শনিবার রাতে স্বীকার করেছেন কক্সবাজারের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মাহাবুব আলম তালুকদার।

তিনি বলেন, ভাসানচরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের প্রাথমিকভাবে তালিকা জমা নেওয়া হচ্ছে। সেটি এখনও চলমান রয়েছেন। বাংলাদেশের জন্য এটা অত্যন্দ ভালো দিক, যে তারা স্বেচ্ছায় সেখানে যাওয়ার জন্য সম্মতি জানাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কতজন তা নিদিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। তবে আমাদেরে লক্ষ্য রয়েছে এক লাখ রোহিঙ্গা ভাসানচর নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

নামপপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন,ভাসানচর রোহিঙ্গাদের কাছে ঠেঙ্গার চর নামে পরিচিত, এ দ্বীপে যেতে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে এখন বেশ সম্মতি পাওয়া যাচ্ছে।এটি অবশ্যই ভালো লক্ষণ।তবে যে তালিকা হাতে পেয়েছি সেটি এখনও চূড়ান্ত নয়।এখন পর্যন্ত টেকনাফের শালবাগান ২৬ নম্বর থেকে ২০পরিবার ও জাদিমোরা ২৭ নম্বর থেকে ৪০ পরিবারের তালিকা পাওয়া গেছে। এরমধ্যে সবগুলো শিবিরের রোহিঙ্গা নেতা (মাঝি)দের মাধ্যমে কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের একটি করে ফরম দেওয়া হয়েছে।যার ওপরে লেখা ছিল ভাসানচরে স্থানান্দরে আগ্রহী বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের তালিকা’।ফরমে ছয়টি তথ্যর ঘর রয়েছে।

শালবাগান রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের দলনেতা (মাঝি) রমিদা বেগম ও জাদিমোরার নবী হোসেন বলেন, বেশ কিছু পরিবার ভাসানচরে যেতে ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি রোহিঙ্গা সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধি জাদিমোরার খালেদ হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নিয়ে যেতে সরকার আগে থেকেই কাজ করে আসছিল। কেউ স্বেচ্ছায় রাজি না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এতো দিন অগ্রগামী হয়নি। যেহেতু এবার রোহিঙ্গারা নিজে থেকেই সেখানে যেতে শালবাগান ২৬ নম্বর থেকে ২০পরিবার ও জাদিমোরা ২৭ নম্বর থেকে ৪০পরিবার ইচ্ছে প্রকাশ করছে,তাই গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। সম্পাদনা : মুরাদ হাসান

সর্বাধিক পঠিত