প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারত হয়ে দুবাইয়ে পালাতে চেয়েছিলেন সম্রাট

ওয়ালি উল্লাহ : ক্যাসিনো-কাণ্ডে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গ্রেপ্তার হওয়ার পরও যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট শঙ্কিত ছিলেন না। সহস্রাধিক নেতাকর্মী নিয়ে রাজধানীর কাকরাইলে ব্যক্তিগত অফিসে অবস্থান করেন সম্রাট।  তবে খালেদকে রিমান্ডে নেয়ার পরই ক্যাসিনো-কাণ্ডে সম্রাটের জড়িত থাকার বিষয়টি ফাঁস হয়ে যায়।  গুঞ্জন ছড়াতে থাকে, যে কোনো সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি সম্রাট। সমকাল

এ অবস্থায় গা-ঢাকা দেন সম্রাট। ভারত হয়ে দুবাই পালানোর পরিকল্পনা ছিলো তার। কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের কথা ছিলো। তবে এর আগেই ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহযোগী দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি এনামুল হক আরমানসহ তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

অস্ত্র ও মাদক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সম্রাটকে ১০ দিন এবং মাদক মামলায় আরমানকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে র‌্যাব। গত মঙ্গলবার তাদের রিমান্ডে নেয়া হয়। ক্যাসিনো বা জুয়ার আসর থেকে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও পুলিশসহ অন্যান্য মহলের কে কত টাকা পেতেন, কারা এসব কর্মকাণ্ডকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেন সেসব বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে তাদের। ইতিমধ্যে সম্রাট প্রভাবশালী অনেকেরই জড়িত থাকার বিষয়টি জানিয়েছেন। সূত্র জানায়, সম্রাটের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে আইনের আওতায় আনা হতে পারে প্রভাবশালী অনেককেই। এমনকি আইনি প্রক্রিয়ায় সম্রাটের মুখোমুখি করা হতে পারে তাদের। অবশ্য সম্রাট রিমান্ডে যাওয়ার পর আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তার সহযোগী ও ক্যাসিনো কারবারের সুবিধাভোগীরা।

সম্রাট জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্যই আরমানকে নিয়ে তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আত্মগোপনে ছিলেন। সুযোগ মতো ভারতে ঢুকে পড়তেন। এরপর সেখান থেকে দুবাই পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলো।

সম্রাট ভাবতেও পারেননি, বর্তমান সরকারের সময় তাকে গ্রেপ্তার হতে হবে। এ কারণে অভিযানের শুরুর কয়েকদিন তিনি কাকরাইলের অফিসে অবস্থান করেন নেতাকর্মীদের নিয়ে।

কেএ/এসবি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত