প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এমপিদের ঘুষ দিয়ে পক্ষে টানছেন বরিস, এই অভিযোগের পরেও নতুন চুক্তিতে বিরোধী এমপিদের সমর্থন

আসিফুজ্জামান পৃথিল : এতোদিন চুক্তিহীন ব্রেক্সিট চাইলেও ব্রেক্সিটের পক্ষে থাকা লিভ ইইউ গ্রুপ বরিস জনসনের চুক্তিকে সমর্থন দিয়েছে। এমনিভাবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সমর্থন পাচ্ছেন বেশ কিছু বিরোধী এমপিরও। এ কারণে আজ শনিবার পার্লামেন্টে পাশ হয়ে যেতে পারে এই চুক্তি। চুক্তিটিতে এমপিরা সমর্থন দিলে ৩১ অক্টোবর ইউএরাপ থেকে বিচ্ছেদে যুক্তরাজ্যের আর কোনো বাঁধাই থাকবে না। সিএনএন, বিবিসি, ডেইল মেইল
বেশ কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক অভিযোগ করেছেন, অর্থের বিবিমিয়ে এমপিদের নিজ চুক্তির পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন বরিস জনসন। কিছুকিছু ক্ষেত্রে এই ঘুষ আর্থিক, আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে সুবিধা পাইয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি। আবার আদর্শের লোভ দেখিয়েও কাউকে কাউকে টানার অভিযোগ উঠেছিলো। তবে বরিস জনসন দাবি করেছেন, এ ধরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ৩টি গুরুত্বপূর্ন গ্রুপের উপর নির্ভর করছে ব্রেক্সিট চুক্তি হবে কিনা। এদের মধ্যে প্রথমটি কট্টরপন্থী কনজারভেটিভরা। ২৮জন এমপি যারা নিজেদের স্টার্টান দাবি করেন তারা এই গ্রুপের সদস্য। এই ২৮ জন পার্লামেন্টে নিজেদের ‘ব্রাহ্মণ’ ভাবেন। এরাই ৩ বার থেরেসা মের চুক্তিকে ভোট দিয়ে বাতিল করে দিয়েছেন। এই ২৮জন হার্ড ব্রেক্সিটের সমর্থক। বরিস জনসন এদের সমর্থন পেতে পারেন, কারণ তারা বরিসের আদর্শিক মিত্র। তবে নিজেদের সিদ্ধান্ত তারা নিজেরাই নেন। আরেকটি গ্রুপ হলো সাবেক কনজারভেটিভ স্বতন্ত্র এমপিরা। এই ২১ এমপি গত মাসেও কনজারভেটিভ পার্টিল রত্ন বলে বিবেচিত হতেন। বরিস জনসনের খেয়ালি মনোভাবে তারাই আজ দল থেকে বিতারিত। বরিসের চুক্তির ভবিষ্যত নির্ধারণে তারা অন্যতম গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখবেন। আকেটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রুপ হলো লেবার পার্টির ব্রেক্সিট সমর্থক এমপিরা। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ৫ এমপি সমর্থন দিয়েছিলেন থেরেসার চুক্তিতে। এবার ২০জন এমপি বরিসের সিদ্ধান্তকে সমর্থন দেবেন বলে গুজব শোনা যাচ্ছে। এই ৬৯ জনের উপরই প্রকৃতপক্ষে নির্ভর করছে ব্রেক্সিট ভাগ্য। সম্পাদনা : ইকবাল খান

সর্বাধিক পঠিত