প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মানুষকে পীড়িত করে যে, দেশের সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রকৌশলী হওয়ার পর অধিকাংশই দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে যান

 

আবু সাইয়ীদ : বুয়েটের ইতিহাস অনেক লম্বা এবং একধরনের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি বিকশিত হয়। ১৮৭৬ সালে ঢাকা সার্ভে স্কুল, পরবর্তী সময়ে ১৯১২ সাল থেকে আহসানউল্লাহ স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৯৪৭ সাল থেকে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, ১৯৬২ সাল থেকে পূর্ব পাকিস্তান ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি এবং ১৯৭২ সাল থাকে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি। ১৯৬৪, ১৯৬৭ এবং ১৯৬৮ সালে যথাক্রমে রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এখন এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া বাংলাদেশে আরও কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

বাংলাদেশে প্রকৌশল শিক্ষার বয়স দীর্ঘদিনের হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রকৌশলগত দক্ষতাকে বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেননি। উদ্ভাবনী কর্মকা-ের কথা বাদই দিলাম, পেশাদারিত্বের ক্ষেত্রে প্রকৌশলের সব বিভাগেই এখনো বড় এবং মাঝারি প্রকল্পে আমাদের প্রকৌশলীদের বিদেশি প্রকৌশলীদের দক্ষতার উপরই নির্ভর করতে হয়। এ ছাড়া জনসাধারণকে এই মর্মে পীড়িত করে যে, দেশের সর্বোচ্চ মেধাবী শিক্ষার্থীরা প্রকৌশলী হওয়ার পর অধিকাংশই দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে যান। অনেকেই মনে করেন যে, প্রকৌশলের শিক্ষার্থীরা অধ্যায়নরত অবস্থায় অথবা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ধর্মীয় রাজনীতিতে, এমনকি কেউ কেউ জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গেও যুক্ত হয়ে যান। ব্যক্তিগতভাবে আমি এবং হয়তো আমার মতো অনেকেই বুয়েটের মেধাবী ছাত্রদের কাছে এই প্রত্যাশা করতেই পারেন যে, চলমান আন্দোলনে উপরক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় আনবেন। অর্থাৎ তারা ভাববেন কীভাবে প্রকৌশলগত দক্ষতার আরও বৃদ্ধি ঘটানো যায়, কীভাবে তাদের মধ্যে সততার সঙ্গে কর্মজীবন পার করার মানসিকতা গড়ে তোলা যায় এবং যথাযথ বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে গড়ে ওঠা যায়। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত