প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য ছাত্রদের ব্যবহারে কলুষিত হচ্ছে ছাত্ররাজনীতি বললেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরিন

কেএম নাহিদ : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠন-ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণার পর দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র রাজনীতির প্রাসঙ্গিকতা কতটুকু সে আলোচনা এখন নতুন করে উঠছে বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যায়। ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করাই কি সমাধান?

বিবিসি বাংলার সঙ্গে এক সাক্ষাতে রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরিন বলেন, ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী হত্যা, নির্যাতন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষাপটে অনেকেই ছাত্র রাজনীতি বন্ধের কথা বলছেন। যে সংগঠন এসব কাজ করছে এর জন্য আমরা পুরো ছাত্র সংগঠনকে দোষ দিতে পারি না। এটা ঠিক ও হবে না। একটা প্রক্রিয়া আনতে হবে সংগঠনগুলো কি কাজ করতে পারবে কি পারবে না। সব সময়ই দেখা গেছে ক্ষমতাসিনরা তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য তাদের হাতিয়ার করছে, তা করা যাবে না।

তিনি বলেন, সংগঠনগুলো কোনো অস্ত্রবাজি করতে পারবে না। ক্যাম্পাসে তাদের কোনো টর্চারসেল থাকতে পারবে না। সাধারণ ছাত্রের যৌক্তিক আন্দোলনে তাদের সম্পৃক্ত হতে হবে। কিন্তু ক্ষমতাবানরা তাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য ছাত্রদের ব্যবহার করছে আর এতে কলুষিত হচ্ছে ছাত্ররাজনীতি।

ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান জয় বলেন, কোনো সন্ত্রাসির জায়গা নেই। সংগঠনে যেই দলীয় শৃঙ্গলা বিরোধী কাজ করবে, দলে তার জায়গা নেই এবং আমরা এই সিন্ধান্ত নিয়েছি।

জাতিয়তাবাদি ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুল রহমান খোকন বলেন, কোনো ব্যক্তির একক কর্মকাণ্ডের খেসারত দলের ওপর দায় চাপানো ঠিক হবে না।

ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি সুমাইয়া আক্তার সেতু বলেন, ভয়ের রাজনীতি না কায়েম করার কারনেই সাধারণ ছাত্ররা তাদের মিছিলে যায়। সাধারণ ছাত্রদের দাবি সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। সম্পাদনা : কায়কোবাদ মিলন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত