প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদা জিয়াকে ‘প্রধানমন্ত্রী’ বলা সেই অধ্যক্ষ বরখাস্ত

দৈনিক আমাদেরসময় ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী বলে বক্তব্য দেওয়া সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গুমানতলি ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল মুহিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ওই মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) একে ফজলুল হক বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী বলে সম্বোধন করে বক্তৃতা দেওয়ায় অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল মহিদকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না- এই মর্মে তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল মুহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। শুনেছি অধ্যক্ষকে মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, সরকার ওই মাদ্রাসায় তিন কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি দুর্যোগ প্রশমন ভবন তৈরি করেছে। গতকাল রোববার দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে এসব ভবন উদ্বোধন করেন। দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে শ্যামনগর গুমনতলির এই মাদ্রাসার নতুন ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দার।

এতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক সংসদ সদস্য একে ফজলুল হক। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুজ্জামান, ওসি আনিসুর রহমান মোল্লাসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন-গুমনতলি ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মওলানা আবদুল মুহিদ। বক্তব্য দিতে উঠেই তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া পরপর দুবার উচ্চারণ করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই বিষয়টির প্রতিবাদ করে মারমুখী হয়ে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ক্ষমা চেয়ে জনগণের তোপের মুখে ভবন ছেড়ে পালিয়ে যান।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত