প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রানির ভাষণে প্রতিধ্বনিত হলে বরিসের ‘ডু অর ডাই’ ব্রেক্সিট পরিকল্পনা

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ঐতিহ্য অনুযায়ী রানি এলিজাবেথ দ্বিতীয়র ভাষণ দিয়ে শুরু হলো ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বাৎসরিক ক্যালেন্ডার। এই ভাষণকে বলা হচ্ছিল ব্রেক্সিট অচলাবস্থা নিরসনের মাইলফলক। তবে এই ভাষণের পর সমস্যা আরো ঘণিভূত হলো। রানিও ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্নের প্রতিশ্রুতির কথা পূর্ণব্যক্ত করেছেন। বলা হয়নি সময়সীমা বাড়ানোর কথা। ফলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন বিরোধী এমপিরা। বিবিসি, সিএনএন, গার্ডিয়ান, ডেইলি মেইল, দ্য সান

নিজের ভাষণের শুরুতেই ব্রেক্সিট প্রসঙ্গ তুলেন এলিজাবেথ। তিনি যুক্তরাজ্যের ইইউ ত্যাগের বিষয়ে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন বিলের প্রসঙ্গ নিয়ে আসেন। রানি বলেন, ‘আমার সরকারের সবসময়ের লক্ষ্যই ছিলো নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসা। আমার সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি নতুন অংশীদারিত্বের বিষয়ে কাজ করছে। আমরা সবসময়েই মুক্ত বাণিজ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহায়তা বজায় রাখতে চাই।’

এই ভাষণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের চলমান আলোচনা আবারও ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রানি তার পরিকল্পনায় যুক্তরাজ্যে বিদেশী নাগরিকদের মুক্তভাবে চলাচলের বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপের কথাও যুক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘একটি অভিবাসন বিল, যা মুক্তভাবে চলাচল বন্ধ করবে, তা একটি স্বচ্ছ, আধুনিক এবং বৈশ্বিক অভিবাসন ব্যভস্থার ভিত্তি স্থাপন করবে। আমার সরকার সেসব ইউরোপীয়ানের আবাসন নিশ্চিত করবে যারা তাদের জীবন এখানে গড়ে তুলেছেন, যুক্তরাজ্যের জন্য অনেক অবদান রেখেছেন, তাদের এখানে থাকার অধিকার রয়েছে। আমরা এই প্রতিশ্রুতি রক্ষার চেষ্টা করবো। ’

এদিকে এই ভাষণের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে বিরোধী শিবির। বিরোধী দলীয় এমপিরা বলছেন, এটি ছিলো বরিস জনসনের নির্বঅচনী প্রচারণা। প্রধানমন্ত্রী জনসন এ ধরণের বিশ্রি এক ভাষণ তৈরী করে রীতিমত আইন ভেঙেছেন। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ রানীর এই ভাষণ শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। এই ভাষণের খসড়া তৈরী করে দেয় ব্রিটিশ সরকার।

সর্বাধিক পঠিত